• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
সরকারি নির্মাণকাজের রেট সিডিউল হালনাগাদকরণের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ঠিকাদার সমিতির স্মারকলিপি প্রদান টাকা ফেরত না পেয়ে সাতক্ষীরায় বুশরা অফিসে গ্রাহকদের হামলা মিছিলে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং রাষ্ট্রকে বাঁচাতে মহামিছিল এলেঙ্গায় ফ্লাইওভারের পাইলিংয়ে গ্যাসলাইন ফেটে ১৮ হাজার পরিবারে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারের প্রতিবাদে গোয়াইনঘাটে স্টেলিংয়ের মানববন্ধনের ঘোষণা চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপির মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন গাইবান্ধা সদর উপজেলার ক্যাসিনো সম্রাট আরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ বিএমএসএফ কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি জসিম, সম্পাদক নাজিম পীরগাছায় বেকার নারীদের আত্মকর্মসংস্থানে ৮টি সেলাই মেশিন বিতরণ ৩২ কোটি ৭২ লাখ ১৭ হাজার টাকার মাদক ধ্বংস করল ৬০ বিজিবি

সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্তের দাবিতে আন্দোলন স্থগিত

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

ম. ম. রবি ডাকুয়া:

বাগেরহাট জেলার সরকারি খাল অবৈধ দখলমুক্ত করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার দাবিতে তিন দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচির শেষ দিনে স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ এবং জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা তাদের কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে এলাকাবাসী, কৃষক, পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠন অ্যাক্টিভিস্টা বাগেরহাটের সদস্যরা অংশ নেন।

আন্দোলনের শেষ পর্যায়ে বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আন্দোলনকারীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সরকারি খাল কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি হতে পারে না। দীর্ঘদিন ধরে খাল দখলের কারণে কৃষি, পরিবেশ এবং সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে জেলার সব সরকারি খাল পর্যায়ক্রমে দখলমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ সময় জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বলেন, সরকারি খাল দখলমুক্ত করার দাবির সঙ্গে প্রশাসন সম্পূর্ণ একমত। তিনি আগামী তিন মাসের মধ্যে জেলার সরকারি খালগুলো পর্যায়ক্রমে দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশাসন বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের আশ্বাসের পর আন্দোলনকারীরা তাৎক্ষণিকভাবে তাদের অবস্থান কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন। তবে তারা স্পষ্ট করে জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে আবারও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

আন্দোলনকারীদের দাবি, জেলার সাতফুলের খাল, ইমামবাড়ী খাল, খুন্তাকাটা খাল, মান্দারতলা খাল, রাম বাবুর খাল, বাদুখালীর খাল, পদ্মবিল-আমতলা খাল এবং হোজির খালসহ বিভিন্ন সরকারি খাল দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলে রয়েছে। এসব খালে বাঁধ ও পাটা দিয়ে মাছ চাষের কারণে স্বাভাবিক জোয়ার-ভাটার প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে জলাবদ্ধতা বৃদ্ধি, কৃষিকাজে পানির সংকট, নৌযান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।

আন্দোলনকারীরা আশা প্রকাশ করেন, সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের দেওয়া প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়িত হলে জেলার খালগুলো আবারও জনগণের জন্য উন্মুক্ত হবে এবং কৃষি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

পরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরাবর জেলা প্রশাসকের হাতে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপি প্রদান শেষে আন্দোলনকারীরা তাদের কর্মসূচি আপাতত স্থগিত ঘোষণা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন