কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে মাদক সেবনের দায়ে দুই ব্যক্তিকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) পরিচালিত অভিযানে পৃথক দুটি মামলায় তাদের দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার পর হাইকোর্ট ফৌজদারি পরোয়ানা ফরম নং-৩৭ অনুযায়ী উভয় দণ্ডপ্রাপ্তকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ফরম নং-৩৮ অনুযায়ী তাদের পরিচয়, ঠিকানা, অপরাধের বিবরণ ও কারা কর্তৃপক্ষের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংযুক্ত করে সোপর্দের ব্যবস্থা করা হয়।
আদালতের পরোয়ানা সূত্রে জানা যায়, মোবাইল কোর্ট মামলা নং-০৬/২৬-এ মাদক সেবনের অভিযোগে অভিযুক্ত মোস্তাকিন গোলাম মোস্তফাকে ৭ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। দণ্ডপ্রাপ্ত মোস্তাকিন গোলাম মোস্তফার মাতা রত্না খাতুন। তার বাড়ি পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া উপজেলার ভাড়াশুরা ডাকঘরের আওতাধীন এবানীপুর গ্রামে।
একই দিনে মোবাইল কোর্ট মামলা নং-০৫/২৬-এ মাদক সেবনের অপরাধে কবির হোসেন (৪৫)-কে ৭ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তিনি কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার শেখেরগাঁও এলাকার বাসিন্দা।
আদালতের নথি অনুযায়ী, ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল আমান। আদালতের আদেশে দণ্ডপ্রাপ্তদের আইন অনুযায়ী সাজা কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতের রায় কার্যকরের অংশ হিসেবে দণ্ডপ্রাপ্ত দুই ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, মাদক সেবন ও মাদকসংক্রান্ত অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান এবং প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।