• বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের গণমিছিল-সমাবেশ বাকেরগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা, আলোচনা সভা উখিয়ায় জামায়াতের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে জয়পুরহাটে ১১ দলের গণমিছিল ও সমাবেশ ৫ আগস্ট উপলক্ষে কাইচাইল ইউনিয়ন বিএনপির বিজয় মিছিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শ্রদ্ধা, স্মরণ ও অঙ্গীকারে নোবিপ্রবিতে পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে ত্রিশালে আহত যোদ্ধা ও নিহত পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা মেঘনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত নবীগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত পুলিশ কনস্টেবলের চোখে গুরুতর আঘাত যেভাবে ৫ আগস্ট হয়ে উঠল ‘৩৬ জুলাই’

জয়পুরহাটে ছোট ভাইকে হাতুড়ি দিয়ে হত্যা: বড় ভাইয়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

মো. আল হাসান:

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আপন ছোট ভাইকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার দায়ে বড় ভাই অশোক কুমার দাসকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ (দ্বিতীয়) আদালতের বিচারক মো. তসরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত অশোক কুমার দাস জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার দমদমা গ্রামের ফনিন্দ্রনাথ দাসের ছেলে।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, নিহত সিদ্ধেশ্বর দাস পেশায় একজন লোহার কর্মকার ছিলেন। একই গ্রামের বাসিন্দা বড় ভাই অশোক কুমার দাসের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাদের পৈতৃক জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল।

২০০৯ সালের ১৬ নভেম্বর দুপুরে কামারশালায় কাজ শেষে সিদ্ধেশ্বর দাস দোকানের সামনের একটি বেঞ্চে শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এ সময় অশোক কুমার দাস সেখানে গিয়ে দোকানে থাকা একটি ভারী হাতুড়ি দিয়ে তার মাথায় সজোরে আঘাত করেন। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করলে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা সিদ্ধেশ্বরকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে প্রায় চার মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর ২০১০ সালের ২৯ মার্চ তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী কামনা রানী পাঁচবিবি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত অভিযুক্ত অশোক কুমার দাসকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের রায় প্রদান করেন।

আদালতের এ রায়ে নিহতের স্বজনরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানান, দীর্ঘদিনের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের এই রায়ের মাধ্যমে মামলার আইনি নিষ্পত্তি হলো।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন