• মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
রাজশাহীতে দুই সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম: সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ধামইরহাটে গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে গৃহবধূর মৃত্যু জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে নোবিপ্রবিতে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি উখিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, সবুজ উপজেলা গড়ার প্রত্যয় হালুয়াঘাটে ইউএনও’র বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ভিত্তিহীন, অনুসন্ধানে মিলল সত্যতা বাঘায় গেম খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: কুপিয়ে আহতের ঘটনায় এজাহারভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতেই রাখার দাবিতে মানববন্ধন নোবিপ্রবিতে জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী ‘বাংলা দর্পণ সিজন-৭’ অনুষ্ঠিত টেকনাফের উনচিপ্রাং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ওয়ারেন্টভুক্ত নারী আসামি গ্রেপ্তার নবাবগঞ্জে বারুয়াখালী গোল্ডকাপ ফুটবলে উন্মাদনা, চ্যাম্পিয়ন নয়াবাড়ী ব্যাচ ইলেভেন

হালুয়াঘাটে ইউএনও’র বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ভিত্তিহীন, অনুসন্ধানে মিলল সত্যতা

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

আরিফ আহম্মেদ:

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদের মেরামত কাজের জন্য বরাদ্দকৃত ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও অপপ্রচার বলে দাবি করেছে উপজেলা প্রশাসন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর তথ্যের জবাবে সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, বরাদ্দের সম্পূর্ণ অর্থ সোনালী ব্যাংকের উপজেলা প্রশাসনের সরকারি হিসাবের পে-অর্ডারে নিরাপদে সংরক্ষিত রয়েছ। সেখান থেকে কোনো অর্থ উত্তোলন বা আত্মসাৎ করা হয়নি।

সম্প্রতি একটি মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় পর্যায়ে দাবি করে, ইউনিয়ন পরিষদের মেরামত কাজের সরকারি অর্থ কোনো কাজ ছাড়াই আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ ধরনের প্রচারণার পর বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে ভিন্ন চিত্র পাওয়া যায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফয়সাল আহমেদ ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের সূত্রে জানা গেছে, ইউপি সংস্কারের জন্য বরাদ্দ পাওয়া ৬০ লাখ টাকার পে-অর্ডার সোনালী ব্যাংক হালুয়াঘাট শাখায় সরকারি হিসাবে সংরক্ষিত রয়েছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী নিরপেক্ষ যাচাই-বাছাই এবং শতভাগ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরই কেবল চূড়ান্ত বিল পরিশোধ করা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফয়সাল আহমেদ এক লিখিত বক্তব্যে বলেন, “বরাদ্দকৃত সরকারি অর্থের এক টাকাও আত্মসাতের সুযোগ নেই। পে-অর্ডারের মাধ্যমে সম্পূর্ণ অর্থ ব্যাংকে নিরাপদে সংরক্ষিত রয়েছে। নিয়ম ও স্বচ্ছতা মেনে কাজ শেষ হওয়ার পরই বিল পরিশোধ করা হবে।”

তিনি আরও জানান, গতকাল সাংবাদিক ও স্থানীয় জনগণের সামনে ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং বরাদ্দকৃত অর্থের সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন, “সরকারি অর্থ পরিশোধ কোনো একক ব্যক্তির সিদ্ধান্তে হয় না। এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে প্রকৌশলী, সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং অর্থ বিভাগ জড়িত। একটি স্বার্থান্বেষী মহল জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে। অপপ্রচারে কান না দিয়ে তথ্যের সত্যতা যাচাই করার জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি। অসত্য তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের প্রতিনিধিরাও অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তাদের ভাষ্য, কাজের পূর্ণাঙ্গ বিলই যেখানে এখনো উত্তোলন করা হয়নি, সেখানে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা অত্যন্ত দুঃখজনক।

প্রকৃত তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় বাসিন্দারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা গুজবে কান না দিয়ে দ্রুত ও মানসম্মতভাবে উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন