• বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
নবীগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত পুলিশ কনস্টেবলের চোখে গুরুতর আঘাত যেভাবে ৫ আগস্ট হয়ে উঠল ‘৩৬ জুলাই’ নওগাঁর পত্নীতলায় বাস-ভটভটি সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০, গুরুতরদের রামেকে প্রেরণ রাজশাহীতে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যে পালিত হলো ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ জুলাই বিপ্লব আমাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে শিখিয়েছে যশোরে নানা আয়োজনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত ধামইরহাটে অজ্ঞাত ব্যক্তিকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার, স্বজনদের সন্ধান চায় পুলিশ মনে কি পড়ে সেই দিনের কথা? ৫ আগস্ট ২০২৪—স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পদত্যাগ নওগাঁর মান্দায় চোলাই মদ তৈরির কারখানায় পুলিশের অভিযান বিএনপি, ছাত্র-জনতা ও সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যেই এসেছে ৫ আগস্টের বিজয়

উখিয়ায় পিতার অবৈধ অস্ত্রের গুলিতে শিশু সন্তান গুলিবিদ্ধ: পিতা আটক

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬

মোহাম্মদ নুরুল আবছার:

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিজের হাতে থাকা অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে এক শিশু সন্তান গুরুতর আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত সাড়ে ৭টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং বালুরমাঠ পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন ক্যাম্প-০২ (ওয়েস্ট)-এর ই-০৬ ব্লকে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ শিশুর নাম মোহাম্মদ আরমান। সে অভিযুক্ত রোহিঙ্গা ও সক্রিয় আরএসও সদস্য আব্দুর মবিনের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে এবং অপরাধ ধামাচাপা দিতে ওই রোহিঙ্গা পিতা এলাকায় ‘আরসা’ সদস্যদের হামলার মিথ্যা নাটক সাজায়। তবে এপিবিএন পুলিশের দ্রুত ও বিচক্ষণ তৎপরতায় তার সেই মিথ্যাচার ফাঁস হয়ে যায়। এ ঘটনায় এপিবিএন পুলিশ অভিযুক্ত পিতা আব্দুর মবিনকে আটক করেছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ১৪ এপিবিএন-এর অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ সিরাজ আমীন জানান, “রোহিঙ্গা আব্দুর মবিন তার নিজ শেডে অবস্থানকালে অসাবধানতাবশত তার হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র থেকে এক রাউন্ড গুলি বের হয়ে যায়। সেই গুলিটি সরাসরি তার শিশুপুত্র মোহাম্মদ আরমানের পেটে গিয়ে বিদ্ধ হয়।”

তিনি আরও বলেন, “ঘটনাটি ঘটানোর পরপরই আব্দুর মবিন নিজেকে বাঁচানোর জন্য এলাকায় অপপ্রচার শুরু করে যে, আরসা সদস্যরা তার ওপর হামলা করেছে এবং সে নিজে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। খবর পেয়ে আমাদের পুলিশ সদস্যরা তাৎক্ষণিক প্রাথমিক অনুসন্ধান চালায়। অনুসন্ধানে আব্দুর মবিনের শরীরে কোনো ধরনের গুলির আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মূলত নিজের অপরাধ লুকাতেই সে এই আরসা হামলার বানোয়াট গল্প ফেঁদেছিল। প্রকৃতপক্ষে তার নিজের গুলিতেই তার শিশু সন্তান গুরুতর জখম হয়েছে।”

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পরপরই আশপাশের সাধারণ রোহিঙ্গারা এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশু মোহাম্মদ আরমানকে উদ্ধার করে। পরে তাকে দ্রুত কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। বর্তমানে শিশুটি ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

১৪ এপিবিএন জানায়, ঘটনার পরপরই এপিবিএন-এর একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে এমএসএফ হাসপাতালের সামনে থেকে অভিযুক্ত পিতা আব্দুর মবিনকে আটক করতে সক্ষম হয়।

সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সিরাজ আমীন জানান, “আটককৃত আব্দুর মবিনের শেডে ব্যবহৃত অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রটি উদ্ধারের জন্য বর্তমানে একটি বিশেষ তল্লাশি অভিযান চলমান রয়েছে। অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। বর্তমানে ক্যাম্পের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন