• মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ভাঙচুর-ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চালকের আসনে নারী, সফলতায় ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি জরুরি ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে চালক নিহত, মরদেহ মহাসড়কে রেখে অবরোধ ঢাকায় পরিবেশবান্ধব গণপরিবহনে আসছে ২০০ ইভি বাস, নারীদের জন্য ১০০ বাস অপ্রয়োজনীয় খরচ কমাবে সরকার, প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় হবে: প্রধানমন্ত্রী মহাসড়কে এআই অটো ফাইনে বাড়বে ট্রাফিক শৃঙ্খলা কৃষি জমি ভরাট করা মেঘনাবাসীর বাণিজ্য, লাভের ভাগ যায় শর্ষের গোলায়ও গভীর রাতে নোবিপ্রবি ছাত্রদলের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ৩; হেনস্তার শিকার দুই সাংবাদিক নদীতে ঝোপ দেওয়া মেঘনাবাসীর ঐতিহ্য ‘আওয়ারাপন ২’-এর ঝড়, তিন দিনে ১১০ কোটি রুপি

অপ্রয়োজনীয় খরচ কমাবে সরকার, প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৬ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬

বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

অপ্রয়োজনীয় খাতে সরকারি ব্যয় কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে প্রয়োজনীয় খাতে কোনো ধরনের ব্যয় সংকোচন করা হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, যারা সৎ ও দক্ষ, সরকার তাদের আরও বেশি কাজ করার সুযোগ দিতে চায়। যার যে দায়িত্ব, তা সঠিকভাবে পালন করলেই দেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়াই সরকারের লক্ষ্য।

এনবিআরের কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সফলতা অনেকাংশেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাফল্যের ওপর নির্ভরশীল। রাজস্ব সম্মেলন আগামী দিনে কর্মকর্তাদের আরও সফলতার পথ দেখাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এনবিআরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার যে ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে, সে বিষয়ে কর্মকর্তারা অন্যদের তুলনায় বেশি অবগত। দীর্ঘ দেড় দশকের শাসন-শোষণের প্রভাব থেকে দেশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো এনবিআরও মুক্ত থাকতে পারেনি।

তিনি বলেন, নীতি-নিয়ম উপেক্ষা করে ব্যক্তি বা দলীয় স্বার্থে কাউকে পৃষ্ঠপোষকতা, কারও প্রতি বিরূপ মনোভাব এবং রাজস্ব আহরণে স্বেচ্ছাচারিতার কারণে এনবিআর প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল। এতে প্রতিষ্ঠানটির ওপর মানুষের আস্থা কমে যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন বাংলাদেশকে ঘুরে দাঁড়ানোর সময়। জনগণ এনবিআরকে একটি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চায়। বিশেষ করে করদাতাদের আস্থা অর্জনের জন্য দক্ষ ও টেকসই রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। এনবিআরকে জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর।

তিনি আরও বলেন, আগের শাসনব্যবস্থা দেশকে ঋণনির্ভর ও আমদানিনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর অতিরিক্ত ঋণের বোঝা চাপিয়ে শুধু বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল থাকার নীতিতে সরকার বিশ্বাসী নয়। তাই রাজস্ব আহরণে দেশের অভ্যন্তরীণ আয়ের ক্ষেত্র ও উৎস বাড়াতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, আয় ও রাজস্বের উৎস বাড়াতে সরকার গণমুখী উৎপাদন নীতি গ্রহণ করেছে। এর ফলে দেশে বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পায়ন বাড়বে। মানুষের আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উন্নত সরকারি সেবা নিশ্চিত করতেও এনবিআরের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।

বিশ্ব অর্থনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিবর্তন এবং নতুন ব্যবসায়িক মডেলের কারণে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় নানা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক করব্যবস্থাতেও পরিবর্তন এসেছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রাজস্ব কর্মকর্তাদের বহুমাত্রিক দক্ষতা অর্জন এখন সময়ের দাবি।

সম্মেলনে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন