• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
ফেসবুকে মানহানিকর মিথ্যা তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে সরকারকে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে নজরুলের ৫৭ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক, আরও মামলা তারেক রহমান: মানুষের হৃদয়ের কথা বলেন ডাকাতি ও মাদক মামলার ৪ আসামিকে আদালতে প্রেরণ চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৬২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৫২৪ পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি সমন্বয় জোরদারে আলোচনা সভা মেঘনায় ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার দাউদকান্দি ও মেঘনায় জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অপচেষ্টা বরদাশত করা হবে না : ড.খন্দকার মারুফ ভাওরখোলা ইউনিয়নকে  মডেল ইউনিয়ন গড়তে চাই’ —মো. আব্দুল মতিন জনপ্রতিনিধিত্ব মানে মানুষের আমানত: দলীয় সমর্থন শতভাগ আশাবাদী

ফেসবুকে মানহানিকর মিথ্যা তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে সরকারকে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিপ্লব সিকদার।। 
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুক, এখন মানুষের মতপ্রকাশ, তথ্য আদান-প্রদান ও জনমত গঠনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। কিন্তু এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একটি চক্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য ছড়িয়ে ব্যক্তির সামাজিক মর্যাদা, পেশাগত অবস্থান ও সুনাম ক্ষুণ্ন করছে। অনেক ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই ছাড়াই এসব তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় ভুক্তভোগীর ক্ষতি অপূরণীয় হয়ে উঠছে।
মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতান্ত্রিক সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অধিকার। তবে স্বাধীনতার নামে কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ, অপপ্রচার কিংবা চরিত্রহননের সুযোগ থাকা উচিত নয়। একইভাবে, সরকারের পদক্ষেপও যেন প্রকৃত মতপ্রকাশ বা সমালোচনার কণ্ঠরোধে পরিণত না হয়—সেদিকেও সতর্ক থাকা জরুরি।
এ অবস্থায় মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য শনাক্ত, অভিযোগ গ্রহণ এবং দ্রুত প্রতিকারের জন্য কার্যকর ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ভুক্তভোগীর প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সহজ করতে হবে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের দায়িত্বশীল আচরণ, তথ্য যাচাই এবং গুজব না ছড়ানোর বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।
বিশেষ করে রাজনৈতিক বিরোধ, ব্যক্তিগত শত্রুতা কিংবা স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে অপপ্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার বন্ধ করা জরুরি। আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে দল, মত, পরিচয় বা ক্ষমতার প্রভাব বিবেচনায় না এনে সবার জন্য সমান নীতি নিশ্চিত করতে হবে।
সরকারের উচিত প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আইন ও নীতিমালার কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের জন্য তথ্য ও মতপ্রকাশের নিরাপদ ক্ষেত্র হিসেবে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।
মিথ্যা তথ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া মানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বন্ধ করা নয়; বরং সত্য, ন্যায় ও ব্যক্তির মর্যাদা রক্ষার জন্য একটি দায়িত্বশীল ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করা। তাই ফেসবুকে মানহানিকর মিথ্যা তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে সরকারকে এখনই কার্যকর, নিরপেক্ষ ও আইনসম্মত পদক্ষেপ নিতে হবে।

লেখক -সাংবাদিক।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন