• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৬২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৫২৪

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৩৭ মামলা, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড ৮৭ জন
মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান ও নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রমে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫২৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ৬২ হাজার ৯৩২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযানে ৩৭টি মামলা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে ৮৭ জনকে।
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৪ ঘণ্টার পুলিশি অভিযানের ফলাফলে এ তথ্য জানানো হয়েছে। অভিযানে উদ্ধার হওয়া মাদকের মধ্যে রয়েছে ৬২ হাজার ৯৩২ পিস ইয়াবা, ৩৪ কেজি ৩১৪ গ্রাম গাঁজা, ১০ লিটার চোলাই মদ, ৭২ বোতল বিদেশি মদ, তিন বোতল বিয়ার, ২৫ বোতল স্কফ সিরাপ এবং ১০৭ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোট ৫২৪ জনের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ১১৭ জন, পূর্ববর্তী মামলায় ৭৩ জন, পুলিশ অ্যাক্টের ৩৪ ধারায় ৩৩ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় চারজন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারাসহ অন্যান্য আইনে ৩৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া পরোয়ানামূলে ১১২ জন এবং সাজা পরোয়ানামূলে ১১ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।
অন্যদিকে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৩৮ জনকে। পুলিশের শ্রেণিভিত্তিক হিসাবে মাদক ব্যবসায়ী ৫১ জন, মাদক বহনকারী দুজন এবং মাদক সেবনকারী ১৩৬ জন রয়েছেন। মাদক ব্যবসায়ীদের একটি অংশ নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় গ্রেপ্তারের হিসাবের মধ্যেও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এ অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৮৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অর্থদণ্ড করা হয়েছে ৯ হাজার ৯০০ টাকা।
বিপুল মাদক, প্রশ্নও থাকছে
এক দিনের অভিযানে ৬২ হাজারের বেশি ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনা মাদক বিস্তারের ভয়াবহ চিত্র সামনে এনেছে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ গাঁজা, বিদেশি মদ ও অন্যান্য মাদক উদ্ধারের ঘটনায় মাদক পরিবহন ও সরবরাহের নেটওয়ার্ক নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
তবে শুধু মাদক উদ্ধার ও গ্রেপ্তারেই মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। মাদকের উৎস, সরবরাহকারী, পরিবহনকারী এবং স্থানীয় পর্যায়ের পৃষ্ঠপোষকদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি মাদকসেবীদের পুনর্বাসন ও জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
পুলিশ জানিয়েছে, জনস্বার্থে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক ব্যবসা, পরিবহন ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন