• বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বিএনপি: নজরুল ইসলাম খান গণতন্ত্র ও দেশপ্রেমে আপসহীন ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: ড.মোশাররফ  বাংলাদেশ পুলিশ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নিশ্চিত করবে মেঘনা উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদ: অনুমোদন আছে, কার্যকারিতা নেই সরকার আমলাতন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে: টিআইবি নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে রাজনীতির উত্তাপ বাড়লেও মেঘনায় চলছে স্থানীয় আধিপত্যের লড়াই গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর মেঘনায় সড়কের ইটচোর ধরিয়ে দিতে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার

জামালপুর শেরপুর জেলার গারোদের বড় উৎসব ‘রংচুগালা’

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১১৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৯

১২ অক্টোবর ২০১৯, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, শহিদুল ইসলাম কাজল,
স্টাফ রিপোর্টার, জামালপুরঃ আদিবাসী গারো সম্প্রদায়ের অন্যতম একটি উৎসব ‘রংচুগালা’। গারোদের বিশ্বাস খারাপ আত্ম থেকে রক্ষা ও সংসারে সুখ সফলতা গারো সম্প্রাদায়ের রেওয়াজ অনুযায়ী অধিক ফসল উৎপাদনে ফসলের দেবতা ও সৃষ্টিকতার্কে খুশি করতে ‘রংচুগালা’ উৎসবের আয়োজন করে আসছে। শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলার সীমান্তবতর্ী গারো পাহাড় মরিয়মনগর এলাকায় ‘রংচুগালা’ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
‘রংচুগালার’ অর্থ হচ্ছে চাল থেকে তৈরী চিরা ফসলের মাঠে ছিটিয়ে দেওয়া । ফলে সৃষ্টিকতার্ খুশি হয়ে তাদের ফসল উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। শস্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে ফসলের দেবতা ‘মিসিসিলং’ এবং সৃষ্টিকতার্র অনুগ্রহের প্রয়োজন। তাই এই রীতি শত শত বছর ধরে চলে আসছে। এসব কার্য সম্পাদন করেন গারো সম্প্রদায়ের ‘খামাল’ বা প্রধান নেতা । উৎসবের শুরুতেই গারোদের ধর্মীয় আচার মন্ত্রপাঠ প্রার্থনা তারপর গারোদের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতি উৎসব চলে মধ্যরাত পর্যন্ত। গারোদের বিশ্বাস তাদের ফসলের দেবতা ‘মিসিসিলং’ এবং সৃষ্টিকতার্কে খুশি করতে বা ধন্যবাদ জানালে প্রচুর ফসল উৎপাদন হয়। আর তাই বছরের ভাদ্র মাসে আগামী ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে আয়োজন করা হয় রংচুগালা উৎসবের।এই উৎসবটি শুধু গারোদের ধর্মীয় আচারে সিমাবদ্ধ না থেকে গারো ও বাঙ্গালীদের মিলন মেলায় রুপান্তরিত হয় । গারোদের কৃষ্টি-কালচার এই পরমপরা যাতে নতুন প্রজন্মের কাছে হারিয়ে না যায় সে জন্য নিয়মিত ভাবে আয়োজন করে। ‘রংচুগালার’ উৎসবে অংগ্রহনকারীরা সবাই প্রচুর আনন্দিত । তবে আয়োজন কমিটির নেতারা মনে করেন এধরনের রড় আয়োজন করতে প্রচুর অর্থের দরকার হয় । যা আমাদের একার পক্ষে আয়োজন করা খুবই কষ্ট সাধ্য তাই সরকারের সহায়তা প্রয়োজন ।
গারো সম্প্রদায় খামাল, জনসন মৃ জানান, বাংলাদেশের গারো সম্প্রদায় বিভিন্ন স্থানে যুগযুগ ধরে এ রংচুগালা পালন করে আসছে। কৃষি নির্ভর গারোদের সৃষ্টিকতার্কে সুন্তুষ্টি না করে তাদের ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব নয় তাই সৃষ্টিকতার্কে খুশি করার জন্য এ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন