• সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:১০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার সেননগর আব্বাসীয়া মাদ্রাসার নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন টেলিগ্রাম বিনিয়োগ প্রতারণা: কোটি টাকা আত্মসাৎ, গ্রেফতার-১ সেননগর আব্বাসীয়া মাদ্রাসার উন্নয়ন কমিটি গঠন হলো সেনগর আব্বাসীয়া মাদ্রাসার উপদেষ্টা মণ্ডলী অনুমোদন মেঘনায় সেনা মোতায়েনে মাদকের সংকট, বেড়েছে দাম সেনা-গণমাধ্যমকর্মীদের মতবিনিময়ে মেঘনায় অপরাধীচক্র চাপে মদদদাতারা আতঙ্কিত বিভেদ নয়, দিকনির্দেশনার রাজনীতি চান তারেক রহমান মেঘনা উপজেলার সংবাদকর্মীদের সঙ্গে সেনা ক্যাম্প কমান্ডারের মতবিনিময় মেঘনায় আদর্শ মেঘনা সামাজিক সংগঠনের ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

রাজ্যে কোনো এনআরসি নয়, মমতার হুঁশিয়ারি

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৪৬ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯

২২ অক্টোবর ২০১৯, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্ট :

গোটা ভারতজুড়ে এনআরসি কার্যক্রম চালানোর প্রসঙ্গে দেয়া অমিত শাহের ঘোষণাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলেন পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দোপাধ্যায়।

সোমবার (২১ অক্টোবর) রাজ্যের শিলিগুড়িতে আয়োজিত এক সমাবেশে দেওয়া ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে কখনোই এনআরসি করতে দেওয়া হবে না। রাজ্যে কোনো ভাগাভাগি করতে দেব না। আপনারা নিশ্চিন্তে থাকুন; আমরা আপনাদের পাহারাদার। খবর ‘আনন্দবাজার পত্রিকার

এর আগে চলতি বছরের মার্চ মাসে আলিপুর দুয়ারের এক জনসভায় উপস্থিত হয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়িত করতে পর্যায়ক্রমে গোটা দেশে এনআরসি চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন। অমিত শাহ বলেছিলেন, ‘আসামের পর পশ্চিমবঙ্গে, এমনকি পর্যায়ক্রমে গোটা ভারতে এনআরসি করা হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ভারতে আসা সকল অবৈধদের তাড়ানো হবে।

যদিও এর জবাবে বারংবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলে এসেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে কিছুতেই এনআরসি করতে দেওয়া হবে না।

তবে রাজ্যের উত্তরবঙ্গের সাধারণ জনতার অধিকাংশের মতই গিয়েছে ক্ষমতাসীন বিজেপির পক্ষে। তাছাড়া গোর্খা এবং রাজবংশীরাও এই এনআরসির পক্ষে তাদের মত দিয়েছিল।

এ দিকে উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে এনআরসি প্রকাশের পর চিত্রটা অনেকটাই বদলে গেছে। বিভিন্ন সূত্রের বরাতে গণমাধ্যমের দাবি, আসামে এনআরসি থেকে বাদ পড়া ১৯ লক্ষাধিক বাঙালির অধিকাংশই হিন্দু। তাছাড়া সেই তালিকায় রয়েছে গোর্খা এবং রাজবংশীরাও। মূলত এরপর থেকেই আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিঙের মতো উত্তরাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে বিষয়টি নিয়ে প্রচারণায় নেমেছে মমতা নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস।

অপর দিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেছেন, ‘আমরা রাজবংশী লোকদের ভালবাসি। এখন ওদের কাছে গিয়েও মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে। আমি আপনাদের ভালবাসি তাই বলছি, কারও কথায় ভুল বুঝবেন না; সিদ্ধান্তটা নিতান্তই আপনাদের। আসামে যারা বাদ পড়েছেন, তাদের ১৩ লাখ বাঙালি, ১ লাখ হিন্দিভাষী ও ১ লাখ পাহাড়ি জনগোষ্ঠী। যেখানে সেই বাঙালিদের মধ্যে অধিকাংশ রাজবংশীকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।থ

মমতার ভাষায়, ‘আমি তো ভাবতে পারি না যে, এই বাংলায় কেবল বন্দ্যোপাধ্যায়ই থাকতে পারবে। প্রয়োজন হলে বন্দ্যোপাধ্যায়ও থাকবে না, এখানে শুধু মানুষ থাকবে; আর তা কেবলই আপনারা।

বহু জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে প্রকাশ করা হলো ভারতের আসাম রাজ্যে সংশোধিত নাগরিক তালিকা (এনআরসি)। গত ৩১ আগস্ট প্রকাশিত তালিকায় রাষ্ট্রহীন করা হয়েছে ১৯ লাখের বেশি বাঙালিকে। যদিও আসামের পর এবার গোটা দেশে প্রক্রিয়াটি চালু করতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার। তবে কখনোই বাঙালি অধ্যুষিত রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি হতে দেবেন না বলে এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন