• বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বিএনপি: নজরুল ইসলাম খান গণতন্ত্র ও দেশপ্রেমে আপসহীন ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: ড.মোশাররফ  বাংলাদেশ পুলিশ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নিশ্চিত করবে মেঘনা উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদ: অনুমোদন আছে, কার্যকারিতা নেই সরকার আমলাতন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে: টিআইবি নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে রাজনীতির উত্তাপ বাড়লেও মেঘনায় চলছে স্থানীয় আধিপত্যের লড়াই গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর মেঘনায় সড়কের ইটচোর ধরিয়ে দিতে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার

চট্রগ্রাম শাহ আমানত বিমান বন্দর থেকে আলোচিত ফখরুল হত্য মামলার আসামী মনিরকে গ্রেপ্তার করলো পিবিআই

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১০৬ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৯

৬ নভেম্বর ২০১৯, বিন্দুবাংলা টিভি. কম,
ছৈয়দ কামাল,ফেনী জেলা প্রতিনিধিঃফেনীর দাগনভুইয়ায় আলোচিত স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ফখরুল হত্যায় জড়িত মাইক্রোবাস ড্রাইভার মনির আহম্মদ রিখনকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই।গ্রেপ্তারের পর ৫ নভেম্বর মনিরকে আদালতে হাজির করা হয়।এই সময় সে ঘটনার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।আসামী মনির আহাম্মদ ফখরুল হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি প্রদানের বিষয়টি সাংবাদিকদেরকে জানিয়েছেন,মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই এর উপ-পরিদর্শক হায়দার আলী আকন্দ জানান,ফখরুলকে হত্যার পর আসামী মনির দেশ ত্যাগকরে কাতারে চলে যায় । ঘটনার দিন মাইক্রোতে করে লাশ টানার দায়িত্বে ছিলো তার।পরে বিশেষ কৌশলে কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে তাকে দেশে ফেরৎ আনা হয়।গত ৪ নভেম্বর সোমবার সকালে আসামী মনির চট্টগ্রাম শাহা আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।পরে আসামীকে মঙ্গলবার বিকালে ফেনীর সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ খানের আদালতে হাজির করা হলে,সে হত্যা কান্ডের ঘটনায় জড়িত ছিলো বলে বিচারকের খাস কামরায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করে।এসময় সে হত্যা কান্ডের ঘটনার বিষয় লোমহর্ষক বর্ণনা দেয়।
উল্লেখ্য ২০১৮ সালের ১৯ জানূয়ারী রাতে ফখরুলকে বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে যায় বন্ধুরা।এরপর তাকে কুপিয়ে ও গুলি করে খুন করার পর,তার মৃতদেহ মাতুভুঁঞা এলাকার একটি জমিতে ফেলে রেখে খুনিরা পালিয়ে যায়।পরে নিহতের ভাই ইতালী প্রবাসী নাজিম উদ্দিন,ঘটনার ৪ দিন পর ফখরুলকে বাড়ী থেকে যারা ডেকে নিয়েছিল তাদের কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে,নিজে বাদী হয়ে দাগনভুঞাঁ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
নিহত ফখরুল একই উপজেলার আজিজ ফাজিলপুর গ্রামের আবু তাহের এর ছেলে। সে পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন