ঢাকা   ১১:৫৮:৪৬ এএম, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক নজরে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক শাহজাহান সিরাজ

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, July 15, 2020,
  • 216 Time View
  • ৫ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

 ১৫ জুলাই ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, নিজস্ব প্রতিবেদক :

বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান সিরাজ ছিলেন, স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। তিনি পাঁচবার জাতীয় সংসদে নির্বাচিত এমপি ছিলেন। এ ছাড়া খালেদা জিয়া সরকারের পরিবেশ ও বনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

 মঙ্গলবার বেলা সাড়ে তিনটায় শাহজাহান সিরাজ রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে মারা যান। তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। শাহাজাহান সিরাজ স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

১৯৪৩ সালের ১ মার্চ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে জন্মগ্রহণ করেন শাহজাহান সিরাজ। ১৯৬২ সালে হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনে সম্পৃক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে শাহজাহান সিরাজ ছাত্র-রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। সেই সময় তিনি টাঙ্গাইলের করটিয়া সাথদত কলেজের ছাত্র ছিলেন।

১৯৬৪-৬৫ এবং ১৯৬৬-৬৭ দুই মেয়াদে তিনি দুইবার করটিয়া সাথদাত কলেজের ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। একজন সক্রিয় ছাত্রনেতা হিসেবে তিনি ১১ দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহন করেন। এরপর তিনি ১৯৭০-৭২ মেয়াদে অবিভক্ত ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠনে ভূমিকা পালন করেন, যা ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিরোধী দল। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের প্রতিষ্ঠাতা সহকারী সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন শাহজাহান সিরাজ। পরবর্তীতে জাসদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। জাসদের মনোনয়নে তিনবার তিনি জাতীয় সংসদের টাঙ্গাইল-৪ কালিহাতী আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

শাহজাহান সিরাজ ১৯৯৫ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় যাদের ‘চার খলিফাথ বলা হত শাহজাহান সিরাজ ছিলেন তাদেরই একজন। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন আ স ম আবদুর রব। সেখান থেকেই পরবর্তী দিনে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠের পরিকল্পনা করা হয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩ মার্চ ১৯৭১ পল্টন ময়দানে বিশাল এক ছাত্র জনসভায় বঙ্গবন্ধুর সামনে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেছিলেন শাজাহান সিরাজ। পরে যুদ্ধ শুরু হলে তিনি সশস্ত্র যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ‘বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্সথ (বিএলএফ) বা মুজিব বাহিনীর কমান্ডার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি