• বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় পৃথক অভিযানে গাঁজা-চোরাই মাল জব্দ চাঁদাবাজি,সন্ত্রাসী ও মাদককারবারি প্রতিহত করা হবে : ড.খন্দকার মারুফ প্রাইভেটকারে ৬০ কেজি গাঁজা, পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে চালক উধাও মেঘনায় ইয়াবাসহ আটক যুবক কারাগারে ডিইউজের আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নে সভা, সমবায় পুনর্গঠনের দাবি মেঘনায় অটোরিকশার ব্যাটারি চুরির অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার, কিশোর আলাদা প্রক্রিয়ায় আদালতে প্রেরণ নদী খননে স্বচ্ছতা জরুরি এখন টিভিতে চার সাংবাদিকের ছুটি নিয়ে প্রতিবাদ সোমবার মেঘনায় জামায়াত ও যুবলীগ নেতার আধিপত্য ও পূর্ব শত্রুতা :সড়ক নির্মাণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১আহত ৪ মেঘনার মাধবপুরে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

তরুণীর অশ্লীল ছবি ফেসবুকে ছড়ানোর অভিযোগে তরুণ গ্রেফতার

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৪৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২০

২২ ডিসেম্বর ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম,  মাদারীপুর সংবাদদাতা:

মাদারীপুরে এক তরুণীর আপত্তিকর অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে মো. শহিদুল ইসলাম (২৫) এক তরুণকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মাদারীপুর ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল। অভিযুক্ত শহিদুলের বাড়ি রাজৈর উপজেলার পশ্চিম বিষ্ণুপুর গ্রামে।

মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব-৮ জানায়, সোমবার রাতে উপজেলার পূর্ব সরমঙ্গল গ্রামে অভিযান চালিয়ে শহিদুলকে আটক করা হয়।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, গত বছরের সেপ্টেম্বরে এক তরুণীর সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে শহিদুলের। এরপর থেকে সে ওই তরুণীকে বিভিন্ন রকম চাপ ও প্রলোভন দেখিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ এবং মেসেঞ্জারের ভিডিও কলে অশ্লীল আলাপনে বাধ্য করত।

এসব ভিডিও কলের কথোপকথন গোপনে রেকর্ড করে ওই তরুণীকে শারীরিক সম্পর্কের জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছিল অভিযুক্ত। এতে রাজি না হওয়ায় ধারণকৃত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখায় সে। এক পর্যায়ে গত ১৬ নভেম্বর রাতে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ওই তরুণীর দুটি অশ্লীল ছবি পোস্ট করে শহিদুল।

এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ওই তরুণী সোমবার র‌্যাব-৮, মাদারীপুর ক্যাম্পে অভিযোগ দায়ের করেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে ওইদিন রাতেই সরমঙ্গল গ্রাম থেকে অভিযুক্ত শহিদুলকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর তাকে রাজৈর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে রাজৈর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ বিষয়ে র‌্যাব-৮ (সিপিসি-৩) মাদারীপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন