• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
নোবিপ্রবিতে Environmental Communication and Journalism কোর্সের অংশ হিসেবে ‘Sustainability Frontiers’ সেমিনার নোবিপ্রবির সংঘর্ষের তদন্ত প্রতিবেদন এখনও জমা হয়নি, সময় বাড়ানোর আবেদন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএনের অভিযানে মামলার সন্দেহভাজন আসামি গ্রেপ্তার উখিয়ায় ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও ৮ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৫ জন গ্রেপ্তার মাদকবিরোধী বার্তায় নাঙ্গলমোড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক সমাবেশ রেলি জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই: শিক্ষামন্ত্রী কাইচাইল ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত মডেল ইউনিয়নে গড়ার প্রত্যয় শফিকুল মাতুব্বরের ধামইরহাটে মেরিনা হত্যা মামলার আসামি ভ্যানচালক আব্দুল মতিন গ্রেপ্তার নোবিপ্রবিতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ‘নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম’ পাঁচবিবিতে মাদকবিরোধী অভিযান, ট্যাপেন্টাডলসহ দুইজন আটক

সন্তানরা খোঁজ নেন না, সম্পত্তি লিখে দিলেন কুকুরের নামে

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২১৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২ জানুয়ারি, ২০২১

০২ জানুয়ারী ২০২১, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

সন্তানরা কেউই ভাল ব্যবহার করে না। আর তাই তাদের কাউকে সম্পত্তি না দিয়ে নিজের পোষা কুকুর এবং দ্বিতীয় স্ত্রীকেই পুরো সম্পত্তি দিয়ে দিলেন ভারতের মধ্যপ্রদেশের এক বাসিন্দা। এই সম্পদের মধ্যে রয়েছে ২১ একর জমিও। পেশায় কৃষক ওই ব্যক্তির এমন কীর্তি সম্প্রতি সামনে এসেছে। যা জানতে পেরে রীতিমতো অবাক স্থানীয়রাই।

জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ছিন্দাওয়াড়া জেলার চৌরায়ি মহকুমার বাদিওয়াড়া গ্রামে। ঐ গ্রামের বাসিন্দা ওমনারায়ণ বর্মা পেশায় কৃষক। দুটি বিয়ে করেছেন তিনি। তার প্রথম স্ত্রীর তরফ থেকে তিন কন্যা এবং এক ছেলে রয়েছে । অন্যদিকে, দ্বিতীয় স্ত্রীর পক্ষ থেকে রয়েছে দুই কন্যা। এছাড়া রয়েছে ১১ মাসের একটি পোষা কুকুর। যার নাম জ্যাকি। সম্প্রতি নিজের শেষ উইলটি করেন ওই ব্যক্তি। তাতেই তিনি নিজের সমস্ত সম্পত্তি দ্বিতীয় স্ত্রী চম্পা বাঈ এবং কুকুর জ্যাকির নামে লিখে দেন। তাতে বলেন,তার মৃত্যুর পর অর্ধেক সম্পত্তি স্ত্রী চম্পা বাঈ পাবে। বাকি অর্ধেক জ্যাকির। যিনি জ্যাকির দেখভাল করবেন, তিনিই ওই বাকি সম্পত্তি পাবেন। সেই সম্পত্তি জ্যাকির মৃত্যুর পর তিনিই পাবেন।

কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন ওমনারায়ণ?‌ তিনি জানান, সন্তানেরা কেউই তার দেখভাল করেনি। তার দ্বিতীয় স্ত্রী এবং জ্যাকি সবসময় সঙ্গে থেকেছে। তাছাড়া তাঁর মৃত্যুর পর জ্যাকির দেখভালও কেউই করত না। তাই এই সমস্ত কিছুই ভেবে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এদিকে, গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান এই প্রসঙ্গে জানান, ‘ছেলেমেয়েদের সঙ্গে ওই ব্যক্তির ঝামেলা চলছিল। তাই হঠকারিতায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা ওই ব্যক্তির সঙ্গে কথাও বলেছি।‌ তবে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই স্থানীয়দের অনেকেই অবাকও হয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন