• মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
ধানের শীষের প্রচারণায় ড. মোশাররফ হোসেনের পুত্রবধূ সাইফা ইসলাম ১৭ বছরে এই অঞ্চলের মানুষ ভোট প্রয়োগ করতে পারেনি : ড. খন্দকার মারুফ হোসেন চালিভাঙ্গায় বিএনপির দিনব্যাপী গণসংযোগ আগামীকাল মেঘনায় কাবিটা প্রকল্পের সভাপতিই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুললেন ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে কাগজের সংস্কারের চেয়ে জরুরি মগজের সংস্কার মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১ মেঘনায় দৈনিক বাংলাদেশের আলো’র ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মেঘনায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে বাবা – মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালে মেঘনায় যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছিলেন ড. মোশাররফ হোসেন: ড. খন্দকার মারুফ মেঘনায় সেনাবাহিনীর অভিযানে চাঁদাবাজ আটক

আধুনিক অস্ত্র সম্ভাব্য শত্রুদের প্রতিহত করবে: সেনাপ্রধান

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১১৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২০ জুন, ২০২১

২০ জুন ২০২১, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নতুন সংযোজন হওয়া টাইগার মাল্টিপল লঞ্চ রকেট বা মিসাইল সিস্টেম (টাইগার এমএলআরএস) সম্ভাব্য শত্রুদের যেকোনো অশুভ উদ্দেশ্য প্রতিহত করবে বলে মন্তব্য করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

সাভার সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশ সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে রোববার দুপুরে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সেনাবাহিনীর এডহক ৫১ আর্টিলারি ইউনিটকে অন্তর্ভুক্তিকরণ সনদ দেন জেনারেল আজিজ আহমেদ।

গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে এই অন্তর্ভুক্তিকরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, ‘এমএলআরএস আমাদের বিদ্যমান জেনারেল সাপোর্টস আর্টিলারি অপেক্ষা অধিক দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুকে দুই ধরনের মিসাইল দিয়ে যথাক্রমে ৭০ এবং ১২০ কিলোমিটার দূরত্বে আঘাত হানতে সক্ষম। এই মিসাইল সিস্টেম স্বল্প সময়ে এক বা একাধিক লঞ্চার ব্যবহারের মাধ্যমে একাধিক লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত হানতে পারে। সেই সঙ্গে স্থল ও জলসীমার বড় এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা দিতে সক্ষম।

সেনাপ্রধান আরো বলেন, ‘এই সিস্টেমের ওপর নির্বাচিত সেনা সদস্যদের তুরস্কে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশে এই সিস্টেমের ওপর স্থানীয়ভাবে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করা হবে। আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে সকল সদস্যকে কারিগরি ও পেশাগত জ্ঞান নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। আমি বিশ্বাস করি, এই অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্রের সংযোজন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল সদস্যের মনোবল বাড়াবে।’

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে সেনাপ্রধান আরো বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমানের হাত ধরে যে সেনাবাহিনীর জন্ম, তা আজ কালের পরিক্রমায় বিশ্ব দরবারে একটি দক্ষ ও সুশৃঙ্খল বাহিনী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে আধুনিক হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকারের নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। অনেক প্রতিকূলতা পেরিয়ে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ হয়েছে। উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তথা সশস্ত্রবাহিনী আধুনিক অস্ত্র, সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণে সক্রিয়তা বাড়াতে পেরেছে। আমাদের এই অবস্থান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনন্য দেশপ্রেম ও অবিচল নেতৃত্বের অবদান।’

২০১৮-১৯ বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে ‘গভর্নমেন্ট ২০০০’ চুক্তি সম্পাদিত হয়। প্রথম ধাপে গত ৩০মে তুরস্ক থেকে কেনা মিসাইল ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি দেশে এসে পৌঁছায়।

এরপর দ্বিতীয় ধাপে এ বছরের অক্টোবরে এবং সর্বশেষ ধাপে আগামী বছর অক্টোবরে এই চুক্তির অবশিষ্ট সরঞ্জামাদি ও সকল মিসাইল বাংলাদেশ আসবে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন