• বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বিএনপি: নজরুল ইসলাম খান গণতন্ত্র ও দেশপ্রেমে আপসহীন ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: ড.মোশাররফ  বাংলাদেশ পুলিশ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নিশ্চিত করবে মেঘনা উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদ: অনুমোদন আছে, কার্যকারিতা নেই সরকার আমলাতন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে: টিআইবি নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে রাজনীতির উত্তাপ বাড়লেও মেঘনায় চলছে স্থানীয় আধিপত্যের লড়াই গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর মেঘনায় সড়কের ইটচোর ধরিয়ে দিতে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার

মেঘনা গ্রুপের পেটে সরকারি সড়ক -সেতু

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২৫৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন, ২০২৩

১৫ জুন ২০২৩ইং, বিন্দুবাংলা টিভি ডটকম,

 

বিপ্লব সিকদার :

মেঘনা গ্রুপ আওতাধীন মেঘনার লুটের চর এলাকায় তৈরি হয় কুমিল্লা অর্থনৈতিক অঞ্চল। বালু ভরাটের মাধ্যমে গিলে খেয়েছে সড়ক -৩৬ফুট দৈর্ঘ্য সেতু। এ স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফুসে উঠছে।

সরেজমিনে দেখা যায় লুটের চর গ্রামের বাসিন্দারা যাতায়াতের সুবিধার জন্য একই গ্রামের ধনাঢ্য ব্যক্তি লুটের চর মফিজুল ইসলাম দুধ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম মফিজুল ইসলামের নিকট আবেদন জানালে তিনি নিজস্ব অর্থায়নে সড়কটি করে দেন। মেঘনা গ্রুপ সড়ক, সেতু, এবং সড়কের পাশে থাকা প্রায় ৪৩ টি আকাশমণি গাছ কেটে এলাকার প্রভাবশালীদের সমন্বয়ে তিন ফসলি কৃষি জমি ক্রয় করে এবং সরকারি খাল, খাস সহ নদীর জমি ভরাট করে।

যা পরবর্তীতে কুমিল্লা অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘোষনা করে সরকার। এ বিষয়ে লুটের চর এলাকার বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গাফফার বলেন লুটের চর এলাকার বাসিন্দাদের অতি গুরুত্বপূর্ণ কাচা সড়ক এটি নদীতে যাওয়া জমিতে কাজ করতে এই সড়কটি ব্যবহার হত কোম্পানি আমাদের বলেছে এলাকায় একটি স্টেডিয়ামের জন্য জমি দিবে এই বলে সড়ক – সেতু সহ গাছপালা দখল করে নিয়েছে। একই এলাকার বাসিন্দা কবির হাউদ বলেন কোম্পানি আমাদের সাথে প্রতারণা করছে সরকারি সড়ক সহ খাল, খাস জমি দখল করেছে কিন্তু আমাদের স্টেডিয়ামের জমি দেয়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন সড়কটি জনগণের প্রয়োজনে দখল মুক্ত করা হোক। লুটের চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার সানাউল্লাহ সিকদার বলেন আজ যারা আন্দোলন করছেন বিষয়টি যৌক্তিক কিন্তু আমি আগেই বলেছিলাম এই দিকে জায়গা দেওয়া হবেনা তখন উনারাই কোম্পানির সাথে আতাত করে সব ক্রয় করে বালু ভরাট করতে সহযোগিতা করেছেন।

কুমিল্লা অর্থনৈতিক অঞ্চল সিনিয়র ডিএমডি মোঃ মনিরুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমি তিন মাস হয় এই প্রকল্পে এসেছি যারা ল্যান্ড নিয়ে কাজ করে তারা বলতে পারবে আমি এখানে সড়ক দেখিনি। সরকারি সড়ক বেদখল হওয়ার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাবেয়া আক্তারের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন গাছের বিষয়ে বলতে পারবোনা কিন্তু সড়ক ও সেতুর বিষয়ে এসিল্যান্ড সাহেব কোম্পানির দায়িত্ব প্রাপ্তদের সতর্ক করেছেন। নির্ভর যোগ্য সূত্র জানায় সকল মহল ম্যানেজ করে শিল্প আইনে সরকারি সড়ক ও সেতু খাল, খাস জমি সব লিজ নেওয়ার জোর পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছেন কোম্পানি। লুটের চর এলাকার বাসিন্দা মেঘনা উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ মিয়া রতন শিকদার। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন দুই বছর হয় সড়কটি সরকারি হয়েছে, কোম্পানি সব টাকাই পরিশোধ করেছে। এখন অর্থনৈতিক অঞ্চল হয়েছে ফলে সরকারের দ্বায়িত্ব প্রাপ্তরা বিষয়টি দেখবেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন