• বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
হালদার স্রোতে ভেসে গেল তিন উপজেলার সংযোগ সাঁকো, দুর্ভোগে অর্ধলক্ষাধিক মানুষের দুর্নীতিবিরোধী সংগঠন গ্রীন ফোর্স বাংলাদেশের সদরপুর উপজেলা শাখার কমিটি অনুমোদন সংস্কৃতি ও মানবতার মেলবন্ধনে সম্মানিত প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম: স্বীকৃতি দিল জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটি তৃণমূলের প্রতিবাদ মিছিলে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ, ‘চোর চোর’ স্লোগান শার্শা সীমান্তে বিজিবি অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তার ৪ অবসান হলো দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের, কয়রা ও শ্যামনগরবাসীর স্বপ্নের ‘গোবরা ঘাট’ হস্তান্তর বিশ্বনাথে পণ্ডিত ছিপত আলী মেমোরিয়াল স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ কাঁথা-বালিশ নিয়ে বিএনপির কার্যালয়ে আশ্রয় নিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সিংড়ায় ১৭ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা মিথ্যা ও বানোয়াট: বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে মাদরাসার ২ শিক্ষার্থী নিহত, ব্যাপক হতাহতের আশঙ্কা

শার্শা সীমান্তে বিজিবি অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তার ৪

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

মো. মনির হোসেন:

যশোরের শার্শা সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৪৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৫টি মোবাইল ফোনসহ দুই বর্তমান ইউপি সদস্যসহ মোট চারজন মাদক কারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে উপজেলার কায়বা সীমান্তের চন্দনপুর কলেজ মোড় এলাকা থেকে ইয়াবাসহ তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন, কলারোয়া উপজেলার চান্দুড়িয়া এলাকার মৃত ইমানুর রহমানের ছেলে ইউপি সদস্য মোস্তফা কবির ফারুক (৪৭), একই গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে আব্দুস সালাম (৪৩), একই উপজেলার কাদপুর এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে ইউপি সদস্য নিজাম উদ্দীন (৩৮) এবং একই এলাকার সামছুর রহমানের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৩৬)।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানি মালামাল ও মাদক চক্রের ওপর বিজিবির সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা নজরদারি এবং টহল তৎপরতা জোরদার করা হয়েছিল।

অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করে ৪৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৫টি মোবাইল ফোনসহ উক্ত চারজনকে আটক করতে সক্ষম হয় বিজিবির টহল দল।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান জানান, আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে শার্শা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, দেশের সীমান্ত এলাকায় মাদক, চোরাচালান এবং যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধে বিজিবি সর্বদা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। সীমান্তের নিরাপত্তা ও যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে বিজিবির এ ধরনের কঠোর ও নিয়মিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন