• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
উপমহাদেশের জনপ্রিয়, সুপরিচিত কবি ও কথাসাহিত্যিক মাধুরী ব্যানার্জীর লেখা অণুগল্প: “শ্রাবণ মেঘের ঘনঘটা” নিরাপদ সীমান্তের দাবিতে রঙ্গিখালী দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের একাত্মতা নেত্রকোনায় ভুয়া কাগজপত্রে জমি দলিল করতে গিয়ে ধরা দলিল লেখক দেবহাটায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ বরুড়ার ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক চলনবিলে নৌকা বাইচ–২০২৬: স্থান পরিদর্শনে নাটোরের ডিসি গাইবান্ধায় অনলাইন ক্যাসিনো জুয়ার দুই এজেন্ট গ্রেপ্তার, উদ্ধার ২ স্মার্টফোন আহত সাংবাদিক জামালকে দেখতে হাসপাতালে মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে ৯৪ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ উদ্ধার

চলনবিলে নৌকা বাইচ–২০২৬: স্থান পরিদর্শনে নাটোরের ডিসি

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬

মোঃ ইব্রাহিম আলী:

চলনবিলে নৌকা বাইচ–২০২৬ আয়োজনের প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণের লক্ষ্যে সিংড়া হাইটেক পার্কসংলগ্ন চলনবিল এলাকা পরিদর্শন করেছেন নাটোরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আসমা শাহীন।

পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে ছিলেন সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রিফাত এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত আনজুম।

এ সময় নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনুর ব্যক্তিগত সহকারী কাজল সরকার, সিংড়া ডায়াবেটিস সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিলন হোসেন মাস্টার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক হিরাদুল ইসলাম হিরো, সিংড়া পৌর বিএনপির সম্মানিত আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন শাখা এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল কাফীসহ সিংড়া পৌর ও উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে নৌকা বাইচের সম্ভাব্য স্থান, নৌপথের উপযোগিতা, দর্শনার্থীদের অবস্থানের সুযোগ, যাতায়াতব্যবস্থা, নিরাপত্তা ও সার্বিক আয়োজনের বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করা হয়। চলনবিলের ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কেন্দ্র করে সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর আয়োজনের সম্ভাব্যতা নিয়েও আলোচনা হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, যথাযথ পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে নৌকা বাইচ আয়োজন করা গেলে চলনবিলের লোকজ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি নতুনভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে এ আয়োজন স্থানীয় পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন