• রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
নোবিপ্রবিতে Environmental Communication and Journalism কোর্সের অংশ হিসেবে ‘Sustainability Frontiers’ সেমিনার নোবিপ্রবির সংঘর্ষের তদন্ত প্রতিবেদন এখনও জমা হয়নি, সময় বাড়ানোর আবেদন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএনের অভিযানে মামলার সন্দেহভাজন আসামি গ্রেপ্তার উখিয়ায় ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও ৮ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৫ জন গ্রেপ্তার মাদকবিরোধী বার্তায় নাঙ্গলমোড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক সমাবেশ রেলি জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই: শিক্ষামন্ত্রী কাইচাইল ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত মডেল ইউনিয়নে গড়ার প্রত্যয় শফিকুল মাতুব্বরের ধামইরহাটে মেরিনা হত্যা মামলার আসামি ভ্যানচালক আব্দুল মতিন গ্রেপ্তার নোবিপ্রবিতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ‘নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম’ পাঁচবিবিতে মাদকবিরোধী অভিযান, ট্যাপেন্টাডলসহ দুইজন আটক

নোবিপ্রবির সংঘর্ষের তদন্ত প্রতিবেদন এখনও জমা হয়নি, সময় বাড়ানোর আবেদন

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ৬ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬

ওমর ফারুক:

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ভাষা শহীদ আবদুস সালাম হল ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলে ছাত্রদলের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির নির্ধারিত সময়সীমা পার হলেও এখনও প্রতিবেদন জমা হয়নি। তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ে তদন্ত শেষ করতে পারেনি কমিটি।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জারি করা অফিস আদেশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ আগস্ট ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষরে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীনকে আহ্বায়ক, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামানকে সদস্য এবং প্রক্টর অধ্যাপক এএফএম আরিফুর রহমানকে সদস্য-সচিব করা হয়। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

তবে নির্ধারিত সময়সীমা পার হলেও প্রতিবেদন জমা না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে তদন্ত প্রক্রিয়ায় প্রশাসনিক ধীরগতির অভিযোগও তুলেছেন কেউ কেউ।

নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমা না হওয়ার বিষয়ে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন বলেন, “আমরা নিরপেক্ষ ও নির্ভুল একটি প্রতিবেদন তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। অনলাইন মিডিয়া ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পকেট গেটের গুরুত্বপূর্ণ সিসিটিভি ফুটেজ আমাদের হাতে এসেছে। এগুলোর ফাইলের আকার অনেক বড় হওয়ায় তা বিশ্লেষণ করতে বাড়তি সময়ের প্রয়োজন হচ্ছে। বিশেষ করে সংঘর্ষের সময় বহিরাগত কারা উপস্থিত ছিল, তাদের সঠিকভাবে শনাক্ত করার জন্য এসব ফুটেজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি বলেন, “তদন্তের অংশ হিসেবে আমরা ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্ব, আহত শিক্ষার্থী, প্রত্যক্ষদর্শী ও সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করছি। কমিটির সদস্যদের দাপ্তরিক ব্যস্ততার পাশাপাশি অনেক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের বাইরে থাকায় সবার সঙ্গে কথা বলতেও কিছুটা সময় লাগছে।”

অধ্যাপক হাছান উদ্দীন আরও বলেন, “সংঘর্ষে জড়িত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনা না করে প্রকৃত দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা উপাচার্য মহোদয়ের কাছে আরও তিন কার্যদিবস সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছি। আশা করছি, এই সময়ের মধ্যেই সত্য ঘটনা উদ্ঘাটন করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারব।”

উল্লেখ্য, গত ১৭ ও ১৮ আগস্ট নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন