• বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
/ মতামত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত মেঘনা উপজেলার প্রবেশমুখের ভাটেরচর থেকে লুটের চর পর্যন্ত  দেড় কিলোমিটার সড়কটি এখন জনদুর্ভোগ, অব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক উদাসীনতার এক নির্মম উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বিস্তারীত পড়ুন
বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এ দেশের ইতিহাস, অর্থনীতি, কৃষি, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং জনপদের বিকাশের সঙ্গে নদীর সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। কিন্তু দখল, দূষণ, অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ এবং দীর্ঘদিনের অবহেলায় দেশের বহু নদী আজ
গণমাধ্যম একটি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত। গণতন্ত্রের শ্বাস-প্রশ্বাস, মানুষের অধিকার, রাষ্ট্রের জবাবদিহি সবকিছুর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে এই খাতের। কিন্তু বর্তমান বিশ্বে, বিশেষ করে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে, একটি গুরুত্বপূর্ণ
মহান মে দিবস—বিশ্বজুড়ে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের প্রতীক। বাংলাদেশেও প্রতি বছর ১ মে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত হয় এই দিনটি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, ২০২৬ সালের বাস্তবতায় এই দিবস কি শুধু আনুষ্ঠানিকতায়
বাংলাদেশের জ্বালানি খাত আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। একদিকে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা, অন্যদিকে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা অর্থনীতি ও পরিবেশ উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। এই প্রেক্ষাপটে সৌর বিদ্যুৎ
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রশ্নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশু ও কিশোরদের সঠিকভাবে গড়ে তোলা। “আজকের শিশু আগামীর  রাষ্ট্রনায়ক” এই শ্লোগানটি তাই কেবল একটি কথামালা নয়; এটি একটি দৃষ্টিভঙ্গি, একটি আদর্শ
শিশু ও কিশোররাই একটি জাতির ভবিষ্যৎ। আজকের এই কোমলমতি প্রজন্মই আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষক, বিজ্ঞানী এবং সমাজের চালিকাশক্তি। তাই তাদের সঠিকভাবে গড়ে তোলা শুধু পরিবারের নয়, বরং রাষ্ট্র ও
বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষি ব্যবস্থার সঙ্গে খাল-বিল, নদী-নালার সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। একসময় দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা খালগুলো ছিল কৃষকের প্রাণ, জীবিকার উৎস এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্যের প্রধান সহায়ক। কিন্তু সময়ের