বিপ্লব সিকদার : বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে শক্তিশালী করতে হলে শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে হবে না। প্রয়োজন মানুষের চিন্তার জগতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন। প্রয়োজন ইতিহাস, সংস্কৃতি, রাষ্ট্রচিন্তা ও জাতীয় পরিচয় নিয়ে তৃণমূল বিস্তারীত পড়ুন
ঢাকা এমন একটি মহানগর, যার জীবনপ্রবাহের সঙ্গে নদী ও খালের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। একসময় রাজধানীর চারপাশে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য খাল শুধু পানি নিষ্কাশনের মাধ্যমই ছিল না, বরং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা,
বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এ দেশের ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু এবং অসংখ্য নদ-নদীর কারণে বন্যা আমাদের জীবনের এক অনিবার্য বাস্তবতা। প্রতিবছর বর্ষা এলেই দেশের কোনো না কোনো অঞ্চল বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়। ঘরবাড়ি,
বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন গণমাধ্যমে একজন পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির বক্তব্য প্রচার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। শনিবার নিজের ফেসবুক ওয়ালে দেওয়া এক পোস্টে
মাদক শুধু একটি অবৈধ দ্রব্যের নাম নয়; এটি একটি সমাজ ধ্বংসের নীরব অস্ত্র। একটি পরিবার, একটি সমাজ, এমনকি একটি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎকে ধীরে ধীরে গ্রাস করার সবচেয়ে ভয়ংকর মাধ্যমগুলোর একটি হলো
বাংলাদেশে মাদকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট—’জিরো টলারেন্স’। আইন আছে, অভিযান আছে, গ্রেপ্তারও হচ্ছে নিয়মিত। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এরপরও কেন দেশের বিভিন্ন জনপদের মতো কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় মাদকের বিস্তার থামছে না?
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় রাজনৈতিক মতপ্রকাশের স্বাধীনতা একটি মৌলিক অধিকার। এই অধিকার কেবল রাজনৈতিক দল, নেতা কিংবা কর্মীদের জন্য নয়; সাধারণ নাগরিকের জন্যও সমানভাবে প্রযোজ্য। কিন্তু স্বাধীনতার সঙ্গে দায়িত্ববোধ, তথ্য যাচাই এবং
একটি রাষ্ট্রের সাফল্য কেবল সরকার পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করে না; বরং নির্ভর করে সেই সরকার কত দ্রুত সঠিক অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে পারে এবং তা বাস্তবায়নে কতটা দক্ষতা দেখাতে পারে। রাজনৈতিক