দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসনের অবসান ঘটিয়ে রাজসিক ও ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাত্র কয়েক দিনের মাথায় গভীর শোকে আচ্ছন্ন বাংলাদেশ। যিনি ফিরে এসেছিলেন মানুষের ভালোবাসা, প্রত্যাশা আর সংগ্রামের প্রতীক হয়ে—আজ সেই বিস্তারীত পড়ুন
মেঘনা উপজেলাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা একটি কার্যকর, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন। সুশাসন শুধু একটি প্রশাসনিক শব্দ নয়—এটি নাগরিকের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার, উন্নয়ন ও মানবিক মর্যাদার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মেঘনার সাধারণ মানুষের
মেঘনা উপজেলা বিএনপি আজ এমন এক রাজনৈতিক ঘূর্ণাবর্তে আটকে গেছে, যেখানে শত্রু শুধু বাইরে নয়, দলের ভেতরেও গভীরভাবে প্রোথিত। অভ্যন্তরীণ কোন্দল, প্রতিদ্বন্দ্বী মহলের প্রভাব, ভিন্ন মতাদর্শের পরিকল্পিত অনুপ্রবেশ এবং
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রতিটি সেক্টরেই আজ একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার চেয়ে স্বেচ্ছাচারিতার চর্চা যেন অনেক ক্ষেত্রেই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।
মেঘনা উপজেলায় অকটেন–পেট্রলসহ বিভিন্ন জ্বালানি যেভাবে যত্রতত্রভাবে বিক্রি হচ্ছে, তা শুধু আইন লঙ্ঘনই নয়—এটি এলাকায় বড় ধরনের নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করছে। প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়াই দোকান, গ্যারেজ কিংবা রাস্তার পাশের টংঘরেও
বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজ দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ভিত্তি। আমাদের গ্রামগুলো শুধু খাদ্য উৎপাদনের কেন্দ্র নয়, এগুলোই দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা ও মানুষদের জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করে। কিন্তু এ শোষণমুক্ত
মেঘনা উপজেলা নলচর–পারার বন্ধ এলাকা সংলগ্ন মেঘনা–কাঠালিয়া নদীপথে দুই দশকের বেশি সময় ধরে যে চাঁদাবাজি চলছে, তা এখন প্রায় একটি সংগঠিত শিল্পে রূপ নিয়েছে। মাঝি–মাল্লা থেকে নৌযান মালিক—সকলেই প্রতিনিয়ত
গ্রামীণ জনপদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গ্রাম পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রশাসনের প্রথম সারির সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। কিন্তু সময়ের পরিবর্তন, জনগণের নিরাপত্তা–চাহিদা বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অপরাধের নতুন ধরন—সব মিলিয়ে এই