বাংলাদেশে মাদকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট—’জিরো টলারেন্স’। আইন আছে, অভিযান আছে, গ্রেপ্তারও হচ্ছে নিয়মিত। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এরপরও কেন দেশের বিভিন্ন জনপদের মতো কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় মাদকের বিস্তার থামছে না? বিস্তারীত পড়ুন
কুমিল্লার মেঘনা ও তিতাস উপজেলার সীমান্তবর্তী চরাঞ্চল আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। জমির মালিকানা ও দখলকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সংঘর্ষ পরিস্থিতিকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে গেছে, যেখানে যেকোনো সময় বড় ধরনের
বাংলাদেশের নদীমাতৃক ভূপ্রকৃতিতে নদী, খাল, বিল, হালট এবং খাসজমি শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ নয়; এগুলো একটি জনপদের পরিবেশ, অর্থনীতি, কৃষি, জীববৈচিত্র্য এবং দুর্যোগ মোকাবিলার অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, কুমিল্লার
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় কয়েক বছর ধরে উন্নয়নের দৃশ্যমান প্রতীক হিসেবে বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়, উপজেলা ও গ্রামীণ সড়ক, হাট-বাজার এবং গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থলে সৌরবিদ্যুৎচালিত (সোলার) স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছিল। প্রকল্পগুলোর উদ্দেশ্য
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত মেঘনা উপজেলার প্রবেশমুখের ভাটেরচর থেকে লুটের চর পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার সড়কটি এখন জনদুর্ভোগ, অব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক উদাসীনতার এক নির্মম উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক
বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের সবচেয়ে ভয়াবহ কিন্তু দীর্ঘদিনের অবহেলিত সংকটগুলোর একটি হলো মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট, প্যারামেডিক কিংবা স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কিছু ব্যক্তি নিজেদের “ডাক্তার” পরিচয় দিয়ে রোগী দেখানো, প্রেসক্রিপশন দেওয়া এবং বিভিন্ন হাসপাতাল, ক্লিনিক
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণরেখা বলা হয় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক-কে। দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম, শিল্পাঞ্চল নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী ও রাজধানী ঢাকাকে যুক্ত করা এই করিডর শুধু একটি সড়ক নয়; এটি দেশের বাণিজ্য, শিল্প,
বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এ দেশের ইতিহাস, অর্থনীতি, কৃষি, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং জনপদের বিকাশের সঙ্গে নদীর সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। কিন্তু দখল, দূষণ, অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ এবং দীর্ঘদিনের অবহেলায় দেশের বহু নদী আজ