বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এ দেশের ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু এবং অসংখ্য নদ-নদীর কারণে বন্যা আমাদের জীবনের এক অনিবার্য বাস্তবতা। প্রতিবছর বর্ষা এলেই দেশের কোনো না কোনো অঞ্চল বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়। ঘরবাড়ি, বিস্তারীত পড়ুন
বাংলাদেশে মাদকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট—’জিরো টলারেন্স’। আইন আছে, অভিযান আছে, গ্রেপ্তারও হচ্ছে নিয়মিত। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এরপরও কেন দেশের বিভিন্ন জনপদের মতো কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় মাদকের বিস্তার থামছে না?
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় রাজনৈতিক মতপ্রকাশের স্বাধীনতা একটি মৌলিক অধিকার। এই অধিকার কেবল রাজনৈতিক দল, নেতা কিংবা কর্মীদের জন্য নয়; সাধারণ নাগরিকের জন্যও সমানভাবে প্রযোজ্য। কিন্তু স্বাধীনতার সঙ্গে দায়িত্ববোধ, তথ্য যাচাই এবং
একটি রাষ্ট্রের সাফল্য কেবল সরকার পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করে না; বরং নির্ভর করে সেই সরকার কত দ্রুত সঠিক অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে পারে এবং তা বাস্তবায়নে কতটা দক্ষতা দেখাতে পারে। রাজনৈতিক
কুমিল্লার মেঘনা ও তিতাস উপজেলার সীমান্তবর্তী চরাঞ্চল আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। জমির মালিকানা ও দখলকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সংঘর্ষ পরিস্থিতিকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে গেছে, যেখানে যেকোনো সময় বড় ধরনের
বাংলাদেশের নদীমাতৃক ভূপ্রকৃতিতে নদী, খাল, বিল, হালট এবং খাসজমি শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ নয়; এগুলো একটি জনপদের পরিবেশ, অর্থনীতি, কৃষি, জীববৈচিত্র্য এবং দুর্যোগ মোকাবিলার অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, কুমিল্লার
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় কয়েক বছর ধরে উন্নয়নের দৃশ্যমান প্রতীক হিসেবে বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়, উপজেলা ও গ্রামীণ সড়ক, হাট-বাজার এবং গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থলে সৌরবিদ্যুৎচালিত (সোলার) স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছিল। প্রকল্পগুলোর উদ্দেশ্য
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত মেঘনা উপজেলার প্রবেশমুখের ভাটেরচর থেকে লুটের চর পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার সড়কটি এখন জনদুর্ভোগ, অব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক উদাসীনতার এক নির্মম উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক