ডিজিটাল যুগে তথ্যপ্রবাহ যেমন দ্রুততর হয়েছে, তেমনি বেড়েছে মতপ্রকাশের বহুমাত্রিকতা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে এখন যে কেউ নিজের মতামত প্রকাশ করতে পারছে, গড়ে তুলতে পারছে প্রভাব বলয়। কিন্তু এই ইতিবাচক পরিবর্তনের বিস্তারীত পড়ুন
বাংলাদেশের মানচিত্রে “মেঘনা” নামটি উচ্চারিত হলেই প্রথমে যে ছবিটি চোখে ভেসে ওঠে, তা হলো বিস্তীর্ণ জলরাশি আর প্রবল স্রোতের এক বিশাল নদী। কিন্তু মেঘনা শুধু নদীর নাম নয়; এটি একটি
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের অধিকাংশ স্থানীয় বাজার, হাট-বাজার, পাড়া-মহল্লার দোকান কিংবা ছোট উৎপাদনমুখী ব্যবসা পরিচালিত হয় এসব উদ্যোক্তার মাধ্যমে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এদের একটি
রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকা অপরিসীম। একটি আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পুলিশকে কেবল আইন প্রয়োগকারী বাহিনী হিসেবে দেখলে চলবে না; বরং তাদেরকে জনগণের বন্ধু ও
মেঘনা উপজেলা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদীবেষ্টিত জনপদ। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এ অঞ্চলের মাটিতে বালুর পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। নদীভাঙন, চরাঞ্চল বিস্তার এবং প্রাকৃতিক পরিবর্তনের ফলে এখানকার ভূপ্রকৃতি স্থিতিশীল নয়। এই বাস্তবতা
উদার ও সাহসী নেতৃত্ব যে কোনো জাতির জন্য এক আশীর্বাদ। বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–কে অনেকেই এমন এক নেতা হিসেবে দেখেন, যিনি রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ, প্রতিকূলতা ও দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে
রাজনীতির ইতিহাসে ক্ষমতা অর্জন ও তা ধরে রাখার কৌশল নিয়ে অসংখ্য বিতর্ক রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম আলোচিত ধারণা হলো—ঐক্য ভেঙে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। “Divide and rule” নামে পরিচিত এই কৌশল
বাংলা ভাষা প্রবাদ-প্রবচনে সমৃদ্ধ। আমাদের দৈনন্দিন জীবন, অভিজ্ঞতা ও লোকজ জ্ঞান থেকে জন্ম নেওয়া এসব প্রবাদ সংক্ষিপ্ত হলেও গভীর তাৎপর্য বহন করে। তেমনি একটি অর্থবহ প্রবাদ হলো “পটকার সাক্ষী পটকায়