• মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

বৈশাখী শোভাযাত্রা নাকি দায়সারা আনুষ্ঠানিকতা মাত্র

মেঘনা প্রতিনিধি / ৮৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলা নববর্ষ মানেই প্রাণের উৎসব, সাম্য-সম্প্রীতির আহ্বান এবং গ্রামীণ জনজীবনের সর্বস্তরের মানুষের মিলনমেলা। কিন্তু বাস্তবতা হলো অনেক ক্ষেত্রে এই প্রাণের উৎসবই এখন দায়সারা আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হচ্ছে। ১লা বৈশাখ ১৪৩৩ উপলক্ষে ৬নং গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজিত বৈশাখী শোভাযাত্রা তারই একটি প্রতিচ্ছবি।একটি শোভাযাত্রা যেখানে থাকার কথা শত শত মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, সেখানে অনুমান  কুড়ি জনকে নিয়ে আয়োজন সম্পন্ন করা নিঃসন্দেহে প্রশ্নবিদ্ধ। এ চিত্র মেঘনার  অধিকাংশ ইউনিয়নে।  অথচ বৈশাখের আসল শক্তি তো প্রান্তিক মানুষের অংশগ্রহণেই নিহিত।ইউনিয়ন পরিষদ হচ্ছে তৃণমূল প্রশাসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। তাদের দায়িত্ব কেবল আনুষ্ঠানিকতা পালন নয়, বরং জনগণকে সম্পৃক্ত করে উৎসবকে সবার করে তোলা। কিন্তু যখন দেখা যায়, সেই আয়োজনই সীমাবদ্ধ হয়ে যায় কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তির মধ্যে, তখন তা কেবল লোক দেখানো প্রচেষ্টায় পরিণত হয়। এতে প্রশাসনের কাছে বাহবা পাওয়া গেলেও বাস্তব অর্থে উৎসবের চেতনা ক্ষুণ্ণ হয়।প্রশ্ন জাগে এই ধরনের শোভাযাত্রা কি সত্যিই বৈশাখের প্রতিনিধিত্ব করে? নাকি এটি কেবল ছবি তোলার একটি উপলক্ষ? বৈশাখের মূল দর্শন হলো ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে এক কাতারে আনা। সেখানে জনগণকে বাদ দিয়ে আয়োজন করা মানে সেই দর্শনকেই অস্বীকার করা।সময় এসেছে এ ধরনের দায়সারা আয়োজন থেকে বেরিয়ে আসার। ইউনিয়ন পরিষদকে আরও দায়িত্বশীল হয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করতে হবে। তাহলেই বৈশাখ হবে প্রকৃত অর্থে সবার উৎসব, কেবল আনুষ্ঠানিকতার নয়, বরং প্রাণের।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন