• মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
রথযাত্রায় কড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে কুমিল্লা জেলা পুলিশ দাউদকান্দি-বাউশিয়া নদীবন্দরে বিআইডব্লিউটিএর কমিটি গঠন পাবনায় দুই দিনের সরকারি ও সামাজিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন এমপি শিমুল বিশ্বাস ডিজিটাল সেবায় উৎসাহ দিতে নেকমরদে পূবালী ব্যাংকের বাংলা কিউআর বুথ উদ্বোধন বাগেরহাট আদালত ভবনে ছাদের পলেস্তারা ধসে আহত ৫ রাঙ্গুনিয়ায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ ও ভেসে যাওয়া সেতু পরিদর্শন করলেন হুমাম কাদের এমপি পলাশবাড়ীতে আলোচিত প্রতারক হরিদাসের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন  শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে ভাঙ্গুড়ায় ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল বসকৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রসহ ৩ শিক্ষার্থীর মেধা বৃত্তি লাভ সাতক্ষীরায় সমবায় মডেল গ্রাম প্রতিষ্ঠায় উপকারভোগীদের মাঝে চেক বিতরণ

আলোচিত সেই নির্বাহী প্রকৌশলী প্রত্যাহার

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২৮৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ মে, ২০১৯

প্রকৌশলী মাসুদুল আলমের বিরুদ্ধে বালিশসহ কেনা-কাটায় অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় চলছে। তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে গত রোববার দুটি কমিটি গঠন করে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

ওই দিন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব এবং গণপূর্ত অধিদফতর থেকে একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে পৃথক এ কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের বিল বন্ধ রাখার জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে এরইমধ্যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, ওই ভবনের জন্য ১ হাজার ৩২০টি বালিশ কেনা হয়েছে। এদের প্রতিটির মূল্য দেখানো হয়েছে ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা। আর সেই প্রতিটি বালিশ নিচ থেকে ভবনের ওপরে তুলতে খরচ দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা!

জানা গেছে, এই প্রকল্পের আওতায় মূল প্রকল্প এলাকার বাইরে হচ্ছে গ্রিন সিটি আবাসন পল্লী। সেখানে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য ১১টি ২০ তলা ও ৮টি ১৬ তলা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে।

এরইমধ্যে ২০ তলা ৮টি ভবন ও ১৬ তলা একটি ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। এই ৯টি ভবনে তৈরি হয়েছে ৯৬৬টি ফ্ল্যাট। সেই ৯৬৬টি ফ্ল্যাটের জন্য আসবাবপত্র কিনেছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। এর মধ্যে ২০ তলা একটি ভবনের ১১০টি ফ্ল্যাটের আসবাবপত্র কেনা ও তা ভবনে ওঠাতে সব মিলে ব্যয় দেখানো হয়েছে ২৫ কোটি ৬৯ লাখ ৯২ হাজার ২৯২ টাকা।

ওই ১১০টি ফ্ল্যাটের জন্য কেনা টিভি, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন কেনা হয়েছে। সেসব আসবাবের ক্রয়মূল্য ও সেগুলোকে ফ্ল্যাটে তুলতে অস্বাভাবিক ব্যয় দেখানো হয়েছে।

এ ঘটনায় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ও বিশেষ তদন্ত দল পাঠানোর কথা বলেছে। এ ব্যাপারে কোনো তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই প্রত্যাহার হলেন প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলম।

 


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন