• রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার করেছে মেঘনা থানা পুলিশ মেঘনায় আজহারুল হক শাহিনের নেতৃত্বে শহিদ বেদীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি মেঘনায় বাজার মনিটরিংএ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিএনপি মেঘনায় শহিদ দিবসে বিএনপির শ্রদ্ধাঞ্জলি মেঘনায় টানা সহিংসতায় আইনশৃঙ্খলা অবনতির শঙ্কা তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রথম কর্মদিবস: আনুষ্ঠানিকতা ও আবেগে ভরা প্রধানমন্ত্রীর দিন একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে তিন বাহিনীর প্রধানদের শ্রদ্ধা একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি কফিল, মহাসচিব সাইফুল মেঘনায় মরহুম সিরাজুল ইসলাম লন্ডনী স্মৃতি মাদকবিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

গাজারিয়া হাসপাতালের বেহাল দশা।

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২৮৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৫ মে, ২০১৯

২৫ মে ২০১৯ ,বিন্দুবাংলা টিভি .কম , এম ডি ওসমান :   গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যার। চিকিৎসক আছেন মাত্র সাতজন। সার্জারি, গাইনি, চক্ষু, কার্ডিওলজি, ইএনটি বিশেষজ্ঞসহ চারটি মেডিকেল অফিসার পদে চিকিৎসক নেই। তাদের কেউ প্রেষণে অন্য কোথাও, আবার কোনো পদ শূন্য। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির লোকবলেও রয়েছে ঘাটতি। নেই পর্যাপ্ত ওষুধ। প্রায় সাড়ে তিন লাখ জনসাধারণের বসবাস উপজেলাটিতে। তাছাড়া উপজেলাজুড়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের প্রায় পনের কিলোমিটারে সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হয় ওই কমপ্লেক্সটিতেই। জানা যায়, আশির দশকে প্রতিষ্ঠিত হাসপাতালটিকে ১১ বছর আগে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও প্রয়োজনীয় লোকবল ও যন্ত্রপাতি ঘাটতির কারণে সুফল পাচ্ছে না সেবা নিতে আসা মানুষ। অপারেশন থিয়েটার চালু করা যায়নি ১১ বছরেও। একমাত্র এক্সরে যন্ত্রটি বিকল প্রায় এক যুগ। অধিকাংশ চিকিৎসকের দরজার সামনে রোগীদের ভিড়। বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেল আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুনের কক্ষের সামনে। একজনকে দেখা গেল দরজায় দাঁড়িয়ে আগত রোগীদের সিরিয়াল ব্যবস্থাপনা করতে। চিকিৎসা নিতে আসা ইসমানীরচর গ্রামের মোসলেমা জানান, ডাক্তার কম রোগী বেশি। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় দীর্ঘক্ষণ। প্রতিদিন বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের ভিড় সামলানোসহ চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হয় সংশ্নিষ্টদের। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম বলেন, চিকিৎসক সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ঊর্ধ্বতনদের লিখিতভাবে জানিয়েছেন। এ দিকে উপজেলার আটটি ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রেও চলছে চিকিৎসক সংকট। হোসেন্দী, রসুলপুর, বালুয়াকান্দি ও গুয়াগাছিয়া ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসকরা রয়েছেন প্রেষণে অন্যত্র। পদ শূন্য রয়েছে টেংগারচর ও বাউশিয়া ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তার পদ দুটি। ভবেরচর ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসা কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা রয়েছেন ট্রেনিংয়ে। মুন্সীগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. ফজলে রাব্বি জানান, স্বল্পতম সময়ের মধ্যেই আমাদের হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা সংকট দূর হবে বলে মনে করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন