• মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনার মুগার চর কে আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মেঘনায় ডাকবাংলোর অধিগ্রহণকৃত জমি পরিদর্শনে জেলা পরিষদ প্রশাসক পুলিশ প্রশাসনে বড় রদবদল, ২১ কর্মকর্তার বদলি-পদায়ন মেঘনা থানার হত্যা চেষ্টা মামলার আসামি আদালতে প্রেরণ ঢাকা বিভাগের নতুন বিভাগীয় কমিশনার মনিরুজ্জামান মিঞা কুমিল্লার নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেলেন মিজ রোজী আক্তার অতি উৎসাহী অনুসারীর লাগাম টানার সময় এসেছে সঠিক পরিকল্পনায় ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশায় নতুন বাংলাদেশ অশুভ দৃষ্টিভঙ্গি সত্যকে কখনো পরাজিত করতে পারে না রায়পুরে নৃশংস হত্যাকাণ্ড: হোমনায় পাশাপাশি চার কবরে ঘুমালো নিঃশেষ হওয়া পরিবারটি

এক পরিবারে ৪ প্রতিবন্ধী নিয়ে চলছে দিনমজুরের সংসার

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ৩৬৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২১ জুন, ২০১৯

২১ জুন ২০১৯, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ময়মনসিংহ সংবাদদাতা :

 

স্ত্রী ও তিন প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে ২০ বছর ধরে চলছে এক দিনমজুরের সংসার। ৪ প্রতিবন্ধী নিয়ে দারিদ্র্যের নিচে বসবাসকারী পরিবারটি সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছে।

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার শেরপুর গ্রামের দিনমজুর আব্দুল বারিকের স্ত্রী সফুরা খাতুন (৫০) এবং তার তিন ছেলে আবুল কালাম (৩৫), রবি ইসলাম (৩২) ও রতন মিয়া (২৬) হামাগুড়ি দিয়ে বাড়ির উঠান থেকে ঘর পর্যন্ত কোনো রকমে চলাফেরা করতে পারেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, তাদের চেহারার রং কালচে বর্ণের, জীর্ণশীর্ণ ও কঙ্কালসার দেহ। ঠিকমতো কথা বলতে পারেন না। তাদের একজন বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। পুষ্টিজাতীয় খাবার তো দূরের কথা, তিন বেলা দুমুঠো ভাতই জোটে না পরিবারটির কপালে। স্বাভাবিক সুস্থ মানুষের মতো চলাফেরা করার একান্ত ইচ্ছা থাকলেও নেই শারীরিক ও আর্থিক সামর্থ্য। অর্থাভাবে উন্নত চিকিৎসা করতে না পারার কারণে দিন দিন তাদের দেহ নিস্তেজ ও হাড্ডিসাড় হয়ে যাচ্ছে।

কীভাবে চলছে তাদের এই দুঃসহ জীবন, তা জানাতে চাইলে ওই পরিবারের সদস্যরা বলেন, স্থানীয় এক ব্যক্তির উদ্যোগে করে দেওয়া একটি টিনের দোচালা ঘরে কোনো রকমে দিন কাটছে তাদের। একটি ঘর নির্মাণ করে দেওয়ায় ওই ঘরটিতে তাদের ছোট বোন স্বামী পরিত্যক্ত আছমার এক ছেলেকে নিয়ে তারা অবস্থান করছেন। আছমা অন্যের বাড়িতে কাজ করেন এবং পঙ্গুত্ব মা-ভাইদের দেখাশোনা করেন।

পরিবারের একমাত্র উপার্জনের ভরসা সফুরার স্বামী আব্দুল বারিক (৬২)। তিনি দিনমজুরের কাজ করেন, আবার কাজ না পেলে পঙ্গু সন্তানদের নিয়ে ভিক্ষা করে খাবার জোগান। আব্দুল বারিক জানান, তার সন্তানেরা বাল্যকালে অন্যদের মতোই ভালো ছিলেন। প্রায় ২০ বৎসর আগে মেঝো সন্তান রবি ইসলামের জ্বর হয়েছিল, তখন থেকেই ধীরে ধীরে তার শরীর রুগ্‌ণ ও পঙ্গু হয়ে যায়।

সফুরা খাতুন জানান, কবিরাজিসহ বিভিন্ন চিকিৎসা করিয়েও ভালো হয়নি। একের পর এক তার ছেলে আবু কালাম ও রতন মিয়াসহ নিজেও একইভাবে আক্রান্ত হয়ে পঙ্গু হয়ে যান।

ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মহসিন আহম্মদ জানান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া মিল্টন ও বর্তমান ইউপি সদস্য মাসুদ মিয়ার মাধ্যমে ওই পরিবারকে দুটি পঙ্গু ভাতা কার্ড করে দেওয়া হয়। দুটি পঙ্গু ভাতার কার্ডের ওপর ভর করে পরিবারটি চলছে খেয়ে না খেয়ে।

বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব উদ্দিন মণ্ডল বলেন, বিষয়টি তার নজরে আসেনি। তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন। পরিবারটির জন্য কোনো সহযোগিতা করা যায় কি না তা নিয়েও চিন্তা করবেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন