April 15, 2024, 9:37 pm
সর্বশেষ:
মেঘনায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত মেঘনায় কাঁঠালিয়া প্রজন্ম সামাজিক সংস্থার ঈদ সামগ্রী বিতরণ মেঘনায় বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় ঈদ আনন্দে ভাটা, নিরসন জরুরি এততান কিরতি আনছত, ঘরে আছেনা! মেঘনায় গণ ও যুব অধিকারের ইফতার বিতরণ রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ কাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার ফতেহাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী মৎসজীবী লীগ : খোকন সভাপতি শরীফ হোসেন সম্পাদক মেঘনায় দোকানে আগুনের ঘটনায় বাবাসহ দুই ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রথম বারের মত শতভাগ অনলাইনে মনোনয়ন ফরম জমা দিবে প্রার্থীরা : মো.মুনীর হোসাইন খান রিটার্নিংকর্মকর্তার সাথে আচরণ বিধির মতবিনিময়ের পরেই এক প্রার্থী অপর প্রার্থীকে হুমকির অভিযোগ 

বরিস জনসন : সাংবাদিক থেকে প্রধানমন্ত্রী

  • ২৫ জুলাই ২০১৯, বিন্দুবাংলা টিভি. কম,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন কনজারভেটিভ পার্টির নেতা বরিস জনসন। সাংবাদিক থেকে রাজনীতিতে আসা এই রাষ্ট্রনেতার জন্ম যুক্তরাষ্ট্রে হলেও তার শেকড় তুর্কি। নকলের দায়ে সাংবাদিকতার চাকরি হারিয়েছিলেন একবার।১৯৬৪ সালে মধ্যবিত্ত ব্রিটিশ এক দম্পতির সংসারে নিউ ইয়র্কে জন্ম জনসনের। কর্মসূত্রে তার মা-বাবা তখন নিউ ইয়র্কে থাকতেন। জন্মসূত্রে তাই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বও আছে জনসনের। তবে তার পূর্ব পুরুষরা ছিলেন তুরস্কের মুসলিম। তার দাদার বাবা আলী কামেল ছিলেন একজন তুর্কি সাংবাদিক। পরে তিনিও রাজনীতিতে এসেছিলেন। পূর্ব পুরুষের দেখানো পথেই হয়তো লেখাপড়া শেষ করে পেশা হিসেবে সাংবাদিকতাকে বেছে নেন বরিস জনসন।তার সাংবাদিকতা জীবনের শুরু লন্ডনের বিখ্যাত টাইমস পত্রিকার মাধ্যমে। সেখানে শিক্ষানবীস সাংবাদিক হিসেবে ভালোই চলছিল তার ক্যারিয়ার; কিন্তু কিছুদিন পরেই একটি রিপোর্টে মিথ্যা তথ্য দেয়ার কারণে চাকরি চলে যায় জনসনের। এরপর আরেক বিখ্যাত পত্রিকা দ্য টেলিগ্রাফে চাকরি নেন জনসন। এখানে তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনে ব্যাপক সুনমা কুড়ান। তার লেখা জনপ্রিয় হয় ব্রিটিশদের মধ্যে।১৯৮৯ সালে জনসনকে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে বুরোতে পাঠায় টেলিগ্রাফ। সেখানে তিনি কাজ করেন ছয় বছর। এ সময় তিনি দারুণ খ্যাতি অর্জন করেন। এরপর তাকে টেলিগ্রাফের লন্ডন অফিসে রাজনৈতিক ভাষ্যকারের দায়িত্ব দেয়া হয়। সাংবাদিকতা সূত্রেই কনজারভেটিভ পার্টির শীর্ষ নেতাদের সাথে জনসনের ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে তিনি নাম লেখান রাজনীতিতে। ১৯৯৭ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে পরাজিত হন।থ৯৯ সালে টেলিগ্রাফের সহযোগী পত্রিকা দ্য স্পেকট্যাটর এর সম্পাদক হন। তার হাতে পত্রিকাটি আবার জনপ্রিয়তা ফিরে পায়। কিন্তু সাংবাদিকতা ছেড়ে রাজনীতিতে নিয়মিত হয়ে যান জনসন। ২০০১ সালের নির্বচনে আবার প্রার্থী হয়ে এমপি নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে নির্বাচিত হন লন্ডনের মেয়র। দুই মেয়াদে মেয়রের দায়িত্ব পালন করার পর থেরেসা মেথর সরকারে পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে ২ বছর দায়িত্ব পালন করার পর ব্রেক্সিট নিয়ে বিরোধের জের ধরে পদত্যাগ করে মন্ত্রীসভা থেকে।জুন মাসে ব্রেক্সিট ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে পদত্যাগের ঘোষণা দিলে দলীয় প্রধান হওয়ার জন্য প্রার্থী হন এবং জেরোমি হান্টকে পরাজিত করে বড় ব্যবধানে জয় লাভ করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অবশেষে উঠলেন সফলতার চূড়ান্ত ধাপে। হলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন


ফেসবুকে আমরা