• সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় রতনপুর–তালতলী কাচা সড়ক কাদায় মরণফাঁদ, দুর্ভোগে হাজারো পথচারী অভিশপ্ত বন্যা থেকে মুক্তির পথ কি নেই? স্বচ্ছ পরিকল্পনা বাস্তবায়নেই দূর হবে ঢাকার জলাবদ্ধতা সংকট প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে নিপীড়ন থেকে মুক্ত করতে হবে নাঙ্গলমোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীর বৃত্তি অর্জনে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা ঠাকুরগাঁও রোডে পূবালী ব্যাংকের বাংলা কিউআর বুথ উদ্বোধন মীর হেলালের নির্দেশনায় হাটহাজারীতে বন্যার্তদের পাশে ছাত্রদল নেতা তকিবুল বেনাপোল বন্দরে জব্দকৃত ৩ হাজার ৬৭৫ কেজি ভায়াগ্রা পাচারের শঙ্কায় নিরাপত্তা জোরদার গাইবান্ধায় ডিবির অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের নির্বাচন ২৭ সেপ্টেম্বর

মালদ্বীপে কমান্ডো ট্রেনিং পাস করে দেশের মুখ উজ্জ্বল করলেন মেঘনার রাসেল

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ৭৫৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, মেঘনা (কুমিল্লা):

কুমিল্লা জেলার মেঘনা উপজেলার দড়িকান্দি গ্রামের গর্বিত সন্তান রাসেল হোসেন মালদ্বীপ প্রবাসে থেকেই অর্জন করলেন এক অনন্য সফলতা। সম্প্রতি তিনি সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন আন্তর্জাতিক মানের এক কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং প্রশিক্ষণ কোর্স—IFBC (International Fire Brigade Course), যা পরিচালিত হয় আমেরিকান আর্মি এবং মালদ্বীপ ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্স (MNDF)-এর যৌথ তত্ত্বাবধানে।

এই তিন মাসব্যাপী উচ্চমাত্রার এই কমান্ডো ধরনের কোর্সে আগুন নেভানো, জরুরি উদ্ধার অভিযান, সেল্ফ-ডিফেন্স, প্যারা কমান্ডো দক্ষতা ও অন্যান্য দুর্যোগ মোকাবিলা বিষয়ক বাস্তব প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। কোর্সের শেষে অংশগ্রহণকারীদেরকে কঠিন তাত্ত্বিক ও প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়, যেখানে অনেকেই ব্যর্থ হন।

রাসেল জানান, “এই কোর্সে আমাদের রিসোর্ট থেকে কয়েকজন অংশ নিলেও আমি একমাত্র সফল হই। এটি শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, আমার উপজেলা তথা বাংলাদেশের জন্য এক গর্বের বিষয়। আমি হয়তো মেঘনা উপজেলার প্রথম ব্যক্তি, যিনি এই কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি।”এই অর্জনের জন্য রাসেল প্রশিক্ষকদের—বিশেষ করে কর্নেল সাবিন ও ফুয়াদ স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তার কোম্পানি কর্তৃপক্ষও তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে।

এই কোর্সের মাধ্যমে রাসেল যে সকল সুবিধা অর্জন করেছেন, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

মালদ্বীপে বৈধভাবে দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের সুযোগ, সরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকার

মাসিক ভাতা ও অন্যান্য ভর্তুকি

ভবিষ্যতে নাগরিকত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার,আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সার্টিফিকেট যা বিশ্বের প্রায় সব দেশেই গ্রহণযোগ্য।
রাসেল মনে করেন, “এই অর্জন আমার দেশের সুনাম বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এই ধরনের আন্তর্জাতিক কোর্সে অংশ নিতে।”দেশের বাইরে থেকেও দেশের মুখ উজ্জ্বল করা সম্ভব—দড়িকান্দির রাসেল তার বাস্তব উদাহরণ। তার এই কৃতিত্ব মেঘনা উপজেলার যুব সমাজের জন্য হতে পারে এক নতুন অনুপ্রেরণা। তার এই অর্জনে মেঘনাবাসী যেমন গর্বিত, তেমনি গোটা বাংলাদেশও পেয়েছে এক সম্ভাবনাময় প্রতিনিধিত্ব।

 


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন