• রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
অতি উৎসাহী অনুসারীর লাগাম টানার সময় এসেছে সঠিক পরিকল্পনায় ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশায় নতুন বাংলাদেশ অশুভ দৃষ্টিভঙ্গি সত্যকে কখনো পরাজিত করতে পারে না রায়পুরে নৃশংস হত্যাকাণ্ড: হোমনায় পাশাপাশি চার কবরে ঘুমালো নিঃশেষ হওয়া পরিবারটি জাতীয় যাকাত সংগ্রহে শীর্ষে ডিসি ফরিদা খানম ঘুষের ভিডিও ভাইরাল, একদিন পরই প্রত্যাহার পিআইও সামাজিক মাধ্যমে নারী কেলেঙ্কারি ও দুর্নীতির অভিযোগ, বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক বরখাস্ত মেঘনায় যুবদল-ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল :”একটা একটা লীগ ধর -ধইরা ধইরা জেলে ভর ” শ্লোগানে মুখরিত মেঘনায় গ্রাম আদালত অচল, থানায় চলছে বিচার মেঘনায় অপরাধ দমনে মাঠে পুলিশ, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ টহল

৯ মে গজারিয়া গণহত্যা দিবস

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৮৬ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ মে, ২০২০

৯ মে ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, এম ডি ওসমান,
গজারিয়া প্রতিনিধিঃ আজ ৯মে গজারিয়া গণহত্যা দিবস। ১৯৭১সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র, নিরীহ, ঘুমন্ত এলাকাবাসির উপর রাতের আধাঁরে বর্বরোচিত হামলা ও নির্মম ভাবে গুলি করে ৩৬০জনের অধিক মুক্তিযোদ্ধাসহ মুক্তিকামী মানুষকে হত্যা করে। নিহত শহীদদের স্মরণ করে যথাযোগ্য মর্যাদায় গণহত্যা দিবসটি সল্পপরিসরে পালন করছে উপজলো প্রশাসন, শহীদ পরিবার ও গজারিয়া বাসী।

জানা যায়, ১৯৭১ সালের এই দিনে হানাদার বাহিনী উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের ফুলদী নদীর উপকণ্ঠের ১০টি গ্রামে ৩৬০ জনের অধিক নিরীহ মুক্তিকামী মানুষকে নির্বিচারে হামলা চালিয়ে গুলি করে হত্যা করে।

শনিবার সকালে গজারিয়া উপজেলা শহীদ পরিবারের আয়োজনে, শ্রদ্ধাঞ্জলি ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবার কল্যান পরিষদের সভাপতি মহিউদ্দিন ঠাকুরের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাসান সাদী, বীর মুক্তিযোদ্ধা তানছে উদ্দিন আহম্মেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর কাদের ঠাকুর, শহীদ পরিবার কল্যান পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহ্ জালাল বেপারী প্রমুখ।

অনুষ্টানে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার (সাবেক) তানেছ উদ্দিন আহম্মেদ ও সে দিনের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ আবুল হোসেন, নজরুল ইসলাম মাস্টার, আমির হোসেন ও জালাল আহমেদ জানান, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত থেকে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালাতে শুরু করে বাঙ্গালীদের উপর। পাকিস্তানীদের হামলার জবাব দিতে ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসের মধ্যভাগে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার কিছু মুক্তিকামী তরুণ গোসাইচর গ্রামে একটি মুক্তিযোদ্ধা ট্রেনিং ক্যাম্প গড়ে তোলেন। সেখান থেকে স্থানীয় যুবকদের প্রাথমিক ট্রেনিং দিয়ে প্রশিক্ষণের জন্য ভারতে পাঠানো হতো। স্থানীয় রাজাকারদের মাধ্যমে খবর পেয়ে পাক হানাদার বাহিনী ৯ মে ভোরে হামলা চালায় গজারিয়ায়। তাদের উদ্দেশ্য ছিলো ঘুমিয়ে থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের নিশ্চিহ্ন করে দেয়া। ১৯৭১ সালের ৯ মে রবিবার ভোরে সে হামলায় মুক্তিযোদ্ধাসহ মারা যায় ৩৬০জনের অধিক মানুষ।

সেদিন কলাপাতা আর পুরোনো কাপড় পেচিয়ে ১০টি গণকবরে কবর দেয়া হয় নিহত ব্যক্তিদের। কিন্তু স্বাধীনতার ৪৯ বছর পেরিয়ে গেলেও চিহ্নিত করা হয়েছে মাত্র একটি গণকবর। তবে বাকি অরক্ষতি গণকবরগুলো চিহ্নিত করে সংরক্ষণ করার দাবী জানান।
স্মৃতিচারণ সভা শেষে গজারিয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদ পরিবারের ২০০ জন দুস্থ সদস্যকে ১০কেজি করে চাল প্রদান করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন