• শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
ড্যাবের ইফতারে শৃঙ্খলা উপ-কমিটির সদস্য হলেন কামরুজ্জামান প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের মূসক অজ্ঞতা: দায় কার মেঘনায় এখনো খেজুর পৌঁছেনি বললেন উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন চাইলেন দিলারা শিরিন সিদ্ধিরগঞ্জে বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারিসহ ৩৪ জন গ্রেপ্তার মেঘনায় বিগত দিনে নিম্নমানের সামগ্রীতে নির্মিত পাকা ঘাটলাগুলো এখন পরিত্যক্ত কাঠালিয়া নদীতীরে তরুণদের ব্যতিক্রমী খোলা আকাশে ইফতার মেঘনায় সাইবার ইউজার দলের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা জনবান্ধব পুলিশ গঠনে প্রয়োজন জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা রূপগঞ্জে ৪ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সেই গাড়িচালক এবার ৪ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৭৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২০

১ ডিসেম্বর ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

অস্ত্র ও  বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা  দুই মামলায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের বরখাস্ত গাড়িচালক আবদুল মালেক ওরফে বাদলের ২ দিন করে ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ইয়াসমিন আরা শুনানি শেষে রিমান্ডের এই আদেশ দেন।

এরআগে মামলার তদন্ত সংস্থা র‌্যাব-১ আসামিকে আদালতে হাজির করে পৃথক দুই মামলায় তিন দিন করে ৬ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। মালেকের পক্ষে তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে রিমান্ডের আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, অবৈধ অস্ত্র, জাল নোট ব্যবসা ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০ সেপ্টেম্বর ভোরে রাজধানীর তুরাগ এলাকা থেকে গাড়িচালক আবদুল মালেক ওরফে ড্রাইভার মালেককে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, পাঁচ রাউন্ড গুলি, দেড় লাখ বাংলাদেশি জাল নোট, একটি ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় র‌্যাব-১-এর পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যান) আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে এই দুই মামলা দায়ের করেন। পরদিন  দুই মামলায় মালেকের সাত দিন করে ১৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত ৫ অক্টোবর রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর মঙ্গলবার আবারও রিমান্ড আবেদন করে তদন্ত সংস্থা।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, রাজধানীর তুরাগে গাড়িচালক আবদুল মালেকের রয়েছে ২৪টি ফ্ল্যাটবিশিষ্ট সাত তলার দুটি বিলাসবহুল বাড়ি। একই এলাকায় ১২ কাঠার প্লট। এছাড়া, হাতিরপুলে ১০ তলা ভবনের নির্মাণকাজ চলছে। এতে আরও বলা হয়েছে, অধিদপ্তরের কর্মচারী হলেও মালেক ছিলেন প্রভাবশালী। তিনি অধিদপ্তরের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগ, বদলি নিয়ন্ত্রণ করতেন। তার কথামতো কর্মকর্তারা কাজ না করায় তাদের নানাভাবে হয়রানি বা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, মালেক একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হলেও নিজে ব্যবহার করতেন  পাজেরো গাড়ি। এছাড়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যেসব চালক আছেন, তাদের তেল চুরির টাকার বেশিরভাগই মালেকের পকেটে যেতো। রাতারাতি বিপুল পরিমাণ টাকার মালিক বনে যান। এসব টাকা দিয়ে মালেক ঢাকা শহরে একাধিক আলিশান বাড়ি, ফ্ল্যাট ছাড়াও ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ টাকা রেখেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন