• বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
৫ আগস্টের বিজয়—গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক ৫ আগস্টের বিজয়—গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক মেঘনায় গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের গণমিছিল-সমাবেশ বাকেরগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা, আলোচনা সভা উখিয়ায় জামায়াতের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে জয়পুরহাটে ১১ দলের গণমিছিল ও সমাবেশ ৫ আগস্ট উপলক্ষে কাইচাইল ইউনিয়ন বিএনপির বিজয় মিছিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শ্রদ্ধা, স্মরণ ও অঙ্গীকারে নোবিপ্রবিতে পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে ত্রিশালে আহত যোদ্ধা ও নিহত পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা মেঘনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

সর্বাত্মক লকডাউনেও যানজটের কবলে রাজধানী!

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২৫৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২১

১৫ এপ্রিল ২০২১,বিন্দুবাংলা টিভি. কম, পূর্ব পশ্চিম  বিডি :মহামারি করোনাভাইরাসে সংক্রমণ রোধে সরকারি ঘোষণায় দেশে ‘কঠোর লকডাউন (বিধিনিষেধ) চলছে বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে। কিন্তু লকডাউনের দ্বিতীয় দিন নানা অজুহাতে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। লকডাউন থাকা সত্ত্বেও রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর গোলচক্করে সৃষ্টি হয়েছে যানজট।

বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) সকাল থেকে রাজধানীর মিরপুর এলাকা ঘুরে এমন চিত্রই দেখা যায়।

বিধিনিষেধের লকডাউনে রাজধানীর মোড়ে মোড়ে প্রশাসনের কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন। রিকশা, মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার সব কিছুই থামিয়ে থামিয়ে জিজ্ঞেস করছেন, কে কোথায় যাবেন। যথাযথ কারণ বলতে পারলে গন্তব্যে যেতে দিচ্ছেন। আর না বলতে পারলে পথ থেকে ফিরিয়ে দিচ্ছেন। দেখতে চাইছেন ‘মুভমেন্ট পাস’।

সরেজমিনে দেখা যায়, কেউ রাস্তায় বের হলেই পুলিশ জানতে চাইছে ‘মুভমেন্ট পাস আছে কি না। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস থামিয়ে জানতে চাইছে কী কারণে বা কি কাজে বের হয়েছেন। যথাযথ কারণ বলতে পারলেই যাতায়াত করতে দিচ্ছে পুলিশ। এছাড়া যদি কেউ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া রাস্তায় মোটরসাইকেল, কভার্ড ভ্যান ও পিকআপ ভ্যান বের করলে মামলা দিচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ। প্রধান সড়কে কোনো রিকশা যাত্রী নিয়ে এলে, যাত্রী নামিয়ে রিকশা ঘুরিয়ে দিচ্ছে পুলিশ।

মো. হিমেল ঢাকা কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। থাকেন শেওড়াপাড়ায়। হাঁটতে হাঁটতে চলে এসেছেন মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বরে। লকডাউনে বাসা থেকে কেনো বেরিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি টিউশনি পড়াতে যাচ্ছি মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বরে। শেওড়াপাড়া থেকে হেঁটে এসেছি পড়াতে যাব বলে। লকডাউনে সপ্তাহে দুদিন পড়াতে হবে, নাহলে আমার টিউশনিটা চলে যাবে, এজন্যই বাসা থেকে বের হয়েছি।

নাঈমুর রহমান ও শহীদুজ্জামান লকডাউনে মোটরসাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়েছেন। তারা বলেন, একজন যাবেন বিদ্যুৎ বিল দিতে। অন্যজন মোটরসাইকেল মেরামত করতে বের হয়েছেন। কাজেই বের হয়েছি, তারপরও আমাদের নামে মামলা দেওয়া হয়েছে। অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলাম, কিন্তু পুলিশ কোনো কথাই শুনবে না। শুধু বলছে, লকডাউনে কেন বের হলেন। এ কাজ তো আপনারা পরেও করতে পারতেন।

কাফরুল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সোহেল রানা বলেন, মানুষ লকডাউনে ঘরে থাকছেন। কিছু মানুষ প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হচ্ছেন। যথাযথ কারণে ঘর থেকে বের হলে আমরা তাদের যাতায়াত করতে দিচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন