• শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
দেশকে এগিয়ে নিতে বিরোধী দলের আরও দায়িত্বশীল হওয়া জরুরি বিদায়ের ফুলে লেখা চার দশকের গল্প উপাসনালয়ে রাজনীতি: তৃণমূলের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বড় বাধা মেঘনায় মিশ্র নীতির রাজনীতিতে বদলাচ্ছে সমীকরণ “লাথি মেরে চেয়ার থেকে নামাবো ” স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ইঙ্গিত করে ছাত্রঅধিকার নেতার ক্ষোভ প্রকাশ বেগ-আবেগ-যতির ভারসাম্যহীনতায় বদলে যাচ্ছে সমাজ সুযোগ-সুবিধার সংকট, নজরদারির অভাব ও সামাজিক অবক্ষয়ে ঝুঁকির মুখে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম লুটের চরে দৃষ্টিনন্দন বাংলো বাড়ি, আলোচনায় সাবেক চেয়ারম্যান জিল্লু সরকার জিয়ার আদর্শে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান: ড.খন্দকার মারুফ হোসেন মেঘনায় ভাটেরচর-লুটের চর সড়ক এখন জনদুর্ভোগের প্রতীক

ফুসফুস-কিডনি জটিলতা, লিভারও ঠিকভাবে কাজ করছে না খালেদা জিয়ার

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৯৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৪ জুন, ২০২১

১৪ জুন ২০২১, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

এয়ারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ফুসফুস ও কিডনি জটিলতার কারণে বার বার জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘চিকিৎসকদের কাছ থেকে যতটুকু জেনেছি তার (খালেদা জিয়া) হার্টের সমস্যা আছে, সেই সমস্যা না গেলে তার লাংয়ে যেভাবে পানি জমে সেটা বন্ধ হবে না। যেটা তারা (চিকিৎসক) মনে করছেন, কিডনি ইজ নট ফাংশনিং প্রোপারলি। তার লিভারও ঠিকভাবে কাজ করছে না। যে কারণে জ্বর চলে গেলেও আবারো তার জ্বর আসছে। গতকালও তার জ্বর এসেছিল।’

সোমবার (১৪ জুন) সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের চেয়ারপারসনের সর্বশেষ অবস্থা জানাতে গিয়ে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তারা (চিকিৎসক) তাদের সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করছেন। যেটা বারবার তারা বলছেন যে, আমাদের হাসপাতালগুলো ওয়েল ইকুইপ্ট না। তাকে অ্যাডভান্স সেন্টারে নিয়ে চিকিৎসা করানো উচিত।’

হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা চলছে। পোস্ট কোভিড নানা জটিলতা নিয়ে খালেদা জিয়া গত ২৭ এপ্রিল বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। এর ছয়দিন পর (৩ মে) তিনি শ্বাসকষ্ট অনুভব করলে তাকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। পরে অবস্থার উন্নতি হলে এক মাস পর গত ৩ জুন চিকিৎসকদের পরামর্শে খালেদা জিয়াকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়। সিসিইউতে থাকা অবস্থায় গত ২৮ মে খালেদা জিয়া ‘হঠাৎ’ জ্বরে আক্রান্ত হন। ৩০ মে তার জ্বর নিয়ন্ত্রণে আসে। গত ১৪ এপ্রিল তিনি গুলশানের বাসা ফিরোজায় পরিবারের অন্যদের সঙ্গে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। করোনামুক্ত হন ৯ মে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন