• বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের টানা উত্তরাঞ্চল সফর শুরু ১১ জানুয়ারি কৃষিজমির উপরি-স্তর কাটলে জেল-জরিমানা ঘুষের ১ লাখ ২০ হাজার টাকাসহ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আটক মেঘনার সন্তান, কেন্দ্রে তাঁর রাজনীতি পঞ্চগড়ে সোলার স্ট্রিট লাইট প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে দুদকের অভিযান কর প্রশাসনে ডিজিটাল রূপান্তর বিষয়ে বিসিএস একাডেমিতে ক্লাস নষ্ট উপজেলা মেঘনা : নষ্টালজিক উন্নয়ন আর হারিয়ে যাওয়া মানুষের গল্প মেঘনায় সড়কহীন দড়িকান্দি দক্ষিণ পাড়া: পাঁচ দশকের অবহেলা বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত বিএনপি ক্ষমতায় এলে দাউদকান্দি–মেঘনা সরাসরি সংযুক্ত করা হবে : ড. খন্দকার মারুফ হোসেন

আমাদের মুক্তির ঠিকানা মেঘনা উপজেলা প্রতিষ্ঠায় আপনার অবদান স্মরিব প্রত্যহ-চিরকাল: শফিকুল আলম

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৭২ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১

১০ জুলাই ২০২১, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

আমাদের মুক্তির ঠিকানা মেঘনা উপজেলা প্রতিষ্ঠায় আপনার অবদান স্মরিব প্রত্যহ-চিরকাল। ২০ তম মৃত্যু বার্ষিকীতে মেঘনা উপজেলার দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনসাধারনের পক্ষ হতে নিবেদন করছি গভীর শ্রদ্বান্জলী।

আজ উনার মৃত্যু বার্ষিকী । ২০০১ সালের ১০ জুলাই স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে এই নশ্বর পৃথিবী থেকে চির বিদায় নেন।

ব্যাক্তি হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক, সজ্জন ব্যক্তি। দায়িত্ববোধের কাছে তিনি ছিলেন অকুতোভয়। একাধারে ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের একজন সফল স্পিকার, একজন সফল পররাষ্ট্র মন্ত্রী, ছিলেন ঝানু একজন কূটনীতিক। বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত-এর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।

মরহুম স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ছিলেন মূলত এক জন পেশাদার কূটনীতিবিদ। তিনি ১৯২৮ সালের ১১ নভেম্বর সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আব্দুর রশীদ চৌধুরী এবং মাতা সিরাজুন্নেসা চৌধুরী। তারা দুই জনেই ছিলেন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ। জনকল্যাণমুখী রাজনীতি ছিল তাদের মর্মমূলে। অসাম্প্রদায়িক চেতনা লালনকারী এই দম্পতির মতো হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর জীবনের পুরোটাই সাফল্যে ভরপুর।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যখন সপরিবারে হত্যা করা হয়, তখন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ছিলেন বেলজিয়ামে। দেশে না থাকায় বেঁচে যান তারা। তবে দেশের বাইরেও জীবন সংশয় ছিল। বেলজিয়ামে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সানাউল হক শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে আশ্রয় দিতে অস্বীকৃতি জানান। সেসময় হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জীবনের ঝুঁঁকি নিয়ে বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়েকে জার্মানিতে (তখনকার পশ্চিম জার্মানি) আশ্রয় দেন। হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ১৯৭৫ সালে জার্মানির রাষ্ট্রদূত ছিলেন। শুধু তাই নয়, তাদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ভারতে পাঠানোর ব্যবস্থাও করেন তিনি।
(তথ্য সূত্রঃ Nojibur Rahman স্যার)

১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার অনুরোধে সরাসরি আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী সিলেট-১ আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন এবং জাতীয় সংসদের স্পীকার নির্বাচিত হন। এবং স্পীকার থাকা কালীন আবস্থায় মৃত্যু বরন করেন।।

ভালবাসার সাথে শ্রদ্ধাঞ্জলি
মহামতি #হুমায়ুন_রশীদ_চৌধুরী।।

শফিকুল আলমের ফেসবুক ওয়াল থেকে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন