July 14, 2024, 4:46 pm

জনতার আস্থাধরে রাখাই নতুনএমপির বড় চ্যালেঞ্জ 

এম এইচ বিপ্লব সিকদার :

কুমিল্লা -২( হোমনা -মেঘনা)আসনে সারাদেশের মত এই আসনেও  দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইতিমধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ এমপি হিসেবে শপথ নিয়েছেন। দুটি উপজেলায়  সাধারণ মানুষ দলীয় প্রার্থী থেকে দুই  স্বতন্ত্র প্রার্থীর উপর আস্থা রেখেছেন। আস্থা রাখার পিছনে রয়েছে অনেক কারণ। এক কথায় বলতে গেলে সু শাসনের পরিবর্তে দূঃ শাসনের কবলে পরতে হয়েছে উভয় উপজেলার সাধারণ জনগণকে। অবকাঠামো উন্নয়ন থেকে শুরু করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভুমি দস্যুতা সহ সরকারি সুবিধা প্রাপ্ত প্রতিটি সেক্টরে বৈষম্যের শিকার হয়েছে। সু শাসনের অভাবে নতুন প্রজন্ম অন্ধকারে আচ্ছন্ন। স্থানীয় রাজনীতির সঠিক চর্চা না থাকায় একটি বিশৃঙ্খল, অসংগতিতে ভরা সমাজ ব্যবস্থার রোষানলে অবাসযোগ্য পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ অতিষ্ট হয়েছে। সমাজ ব্যবস্থা মেরামত করতে হবে নবনির্বাচিত এমপিকে। সমাজ ব্যবস্থা মেরামত করা যদিও সহজ কাজ নয়। নতুন এমপি অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ একজন মানুষ গড়ার কারিগর। তিনি অসংখ্য বিদ্যাপিঠের জনক। সহজ সরল, সাদামাটা জীবন যাপন করতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন তবে দূর্বল নয়। স্থানীয় পর্যায়ে কাকে কতটুকু, কোথায় গুরুত্ব দিতে হবে নব্য এমপির নখদর্পনে। বিশেষ করে মেঘনা উপজেলা একটি অপার সম্ভাবনাময়। এই উপজেলাটি শিক্ষা দিক্ষা,অবকাঠামো উন্নয়নে  হোমনা উপজেলা থেকে অনেক পিছিয়ে আছে। ফলে স্বচ্ছ নেতৃত্ব তৈরি করা,  সরকারি সুযোগ সুবিধা গুলো স্বজনপ্রীতির উর্ধ্বে উঠে নাগরিকদের মাঝে সুষম বণ্টন, দূঃস্কৃতিকারী ও কথা মালার সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী  কতিপয় নেতৃত্বকে পরিহার করে প্রতিটি শ্রেনী পেশায় দায়িত্বশীলদের প্রাধান্য দিয়ে সু শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই সকল নাগরিকদের সহবস্থান ও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব। এই উপজেলার মানুষের আস্থা নবনির্বাচিত এমপি অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ সহ অন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী মো.শফিকুল আলমের  উপর রয়েছে। শফিকুল আলম ও অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদের মধ্যে যে সৌহার্দ্যতা আছে তা ধরে রাখতে পারলে জনতার আস্থা ধরে রাখা সম্ভব। বলে রাখা উচিত রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নেই তবে ভালো মানুষের মর্যাদা শেষ অব্দি থাকে।হোমনা -মেঘনা বাসী মনে করে শান্তি শৃঙ্খলা ও উন্নয়নের যাদু আছে বহুমুখী গুণাবলির অধিকারী নবনির্বাচিত এমপি অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদের হাতে। এই জন্য সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। সকল নাগরিকদের অপশক্তি চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়তে হবে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করতে সকল সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি উল্লেখযোগ্য। কঠিন কাজটি যদি নবনির্বাচিত এমপি করতে পারেন তবেই জনতার আস্থা ধরে রাখা সম্ভব।
লেখক – সাংবাদিক ।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন


ফেসবুকে আমরা