• সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
নোবিপ্রবিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এনটিআরসিএ বিষয়ক সিদ্ধান্তে বিক্ষোভ সমাবেশ ধামইরহাটে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন জয়পুরহাটে ভাদসা ইউনিয়নে ৬০০ গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি পালিত বাকেরগঞ্জে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ইউএনওর পরিচিতি সভা জয়পুরহাট এনসিপির নেতৃত্বে রদবদল, ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রনজু বাগমারায় এসএসসির ফল খারাপ হওয়ায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু ঘুমধুম সীমান্তে ২ লাখ ৪৬ হাজার ইয়াবা ও বিদেশি পিস্তল উদ্ধার প্রবাসীদের জন্য চালু হচ্ছে ডিজিটাল ‘প্রবাসী কার্ড’ সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ভারতের প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান বাংলাদেশ সফরে ‘র’-প্রধান পরাগ জৈন

বাংলাদেশে বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের নিন্দা ২ মার্কিন সিনেটরের

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২২৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩১ জুলাই, ২০২৪

ডেস্ক রিপোর্ট।।

বাংলাদেশে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন ঘিরে বিক্ষোভের ওপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বলপ্রয়োগের নিন্দা জানিয়েছেন দুই মার্কিন সিনেটর। গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় জরুরি তদন্তের আহ্বান জানান তাঁরা।

বিবৃতিটি সিনেট ফরেন রিলেশনস কমিটির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। দুই সিনেটর হলেন—বেন কার্ডিন ও কোরি বুকার। এর মধ্যে বেন কার্ডিন সিনেট ফরেন রিলেশনস কমিটির চেয়ার হিসেবে নিযুক্ত আছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধার অভাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং সরকারি চাকরিতে বৈষম্যপূর্ণ কোটাব্যবস্থার অবসানের দাবিতে হাজার হাজার শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমেছিল। ওই কোটাব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী যোদ্ধাদের স্বজনের জন্য সরকারি চাকরিতে কোটা রাখা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ন্যায্য দাবিগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত না থেকে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নসহ (র‌্যাব) বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীগুলো নৃশংসভাবে বলপ্রয়োগ করেছে। কয়েক শ বিক্ষোভকারীকে হত্যা করা হয়েছে। আরও হাজার হাজার মানুষ গ্রেপ্তারের শিকার ও আহত হয়েছেন।’

শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও বিক্ষোভ করার অধিকারকে গণতান্ত্রিক সমাজের একটি ভিত্তি বলে উল্লেখ করেছেন দুই সিনেটর। বিবৃতিতে দুই সিনেটর বলেন, ‘নিরাপত্তা বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া এবং তাদের অভিযোগগুলো আন্তরিকতার সঙ্গে বিবেচনা করতে আমরা বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এসব সাহসী মানুষ, যারা নিজেদের মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য এবং একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য দাঁড়িয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের পাশে আছে। আমরা বাংলাদেশে মানবাধিকার নিশ্চিতের পক্ষে কথা বলে যাব। যারা মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার কথা বলে যাব।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন