• বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
ফরম–‘ক’ অনুযায়ী বৃক্ষ কর্তনের অনুমতির আবেদন বাধ্যতামূলক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের টানা উত্তরাঞ্চল সফর শুরু ১১ জানুয়ারি কৃষিজমির উপরি-স্তর কাটলে জেল-জরিমানা ঘুষের ১ লাখ ২০ হাজার টাকাসহ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আটক মেঘনার সন্তান, কেন্দ্রে তাঁর রাজনীতি পঞ্চগড়ে সোলার স্ট্রিট লাইট প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে দুদকের অভিযান কর প্রশাসনে ডিজিটাল রূপান্তর বিষয়ে বিসিএস একাডেমিতে ক্লাস নষ্ট উপজেলা মেঘনা : নষ্টালজিক উন্নয়ন আর হারিয়ে যাওয়া মানুষের গল্প মেঘনায় সড়কহীন দড়িকান্দি দক্ষিণ পাড়া: পাঁচ দশকের অবহেলা বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

ফৈজুদ্দিন দরবেশের দরগার খাদেম নিয়ে দ্বন্দ্ব – সংঘাত, মিমাংসা জরুরি

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২০৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৪

বিপ্লব সিকদার।। 

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার ভাওরখোলা ইউনিয়নের বৈদ্ধ্যনাথপুর বাজারে অবস্থিত পুরনো দরগাহ হযরত ফৈজুদ্দিন দরবেশ( র:)। একটা সময় ভক্তদের ভীড় লেগেই থাকতো। আরাধনায় মসগুল থাকতো ভক্তরা। এই দরগাহ’র সাঝেরা নামায় কোন গদীনশীন নেই। ফলে পরবর্তী প্রজন্ম দীর্ঘদিন যাবত দেখভাল করে আসলেও বিগত কয়েকটি বছর যাবত দরগাহ’র খাদেম হওয়া নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। স্থানীয় সুফীবাদ মতাদর্শদের মতে মাজার বিদ্দেশীরা সু পরিকল্পিত ভাবে হযরত ফৈজুদ্দিন দরবেশের পরবর্তী প্রজন্মদের মধ্যে মাজার নিয়ন্ত্রণের দ্বন্দ্ব পুশইন করা হয়েছে তাদের লাভ সাধারণ মানুষের কাছে মাজার সম্পর্কে নেতীবাচক ধারণা সৃষ্টি করা । যাইহোক যে কথা বলছিলাম, এই দরগা নিয়ে তদারকির নামে একাধিকবার সংঘাত, একাধিক মামলাও হয়েছে। স্থানীয় মাতব্বররাও এ নিয়ে বহুবার শালিসি করে। কয় দিন ভালো গেলে ফের দ্বন্দ্ব শুরু হয়। ঘটনার শুরু থেকে স্থানীয় প্রশাসন অবগত থাকলেও কোনপ্রকার সুরাহা সম্ভব হয়নি। ফলে আদালতে মামলা চলমান। এই দ্বন্দ্বকে আবার কতিপয় নেতারা অঞ্চল নিয়ন্ত্রণের জন্য কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে। দ্বন্দ্ব, অন্তর্দ্বন্দ্ব চলছেই। যখন যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকে সে দলের নেতারাই বিষয় টি নিয়ে অপরাজনীতি, সুফিবাদ বিরোধীদের স্বরযন্ত্র লিপ্ত থাকায় খাদেমধারী নিয়ে উত্তরসূরীরা দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়। এতে আশেকানদের মধ্যে সৃষ্টি হয় ক্ষোভ। কিন্তু তাদের শত্রুতা দিন দিন বেড়েই চলেছে।সম্প্রতি উত্তরসূরী ফকির বাছেদ ও ফকির আলেক পরিবারের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও মাজারের খাদেম হওয়া দ্বন্দ্বের জেরে (যদিও মামলার এজাহারে জমি সংক্রান্ত জেরে উল্লেখ করে) সংঘর্ষ ঘটে এতে উভয় পক্ষে দুজন আহত হয়। এদিকে আলেক ফকির ওপেন হার্ট সার্জারী করে অসুস্থ হয়ে বিছানায় থাকলেও তার সহধর্মিণী সহ স্বজনরা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে যায়। এতে উভয় গ্রুপের দুই জন আহত হয় একদিকে রেখা আক্তার অপরদিকে  মারাত্মক জখম হয় ফকির বাছেদ। এ ঘটনায় থানায় উভয় পক্ষের  দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে, চতুর্মূখী মাস্টার মাইন্ডরা বিষয়টিকে অঞ্চল নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে দেখে সকলের নজর পরেছে। স্থানীয় প্রশাসনসহ দায়িত্বশীলদের বিষয়টিকে মীমাংসা করার অতি জরুরি । অন্যথায় এতদঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণহীন ও অস্থিতিশীল সমাযে পরিনত হতে পারে। ফলে বিষয়টি জনস্বার্থে মিমাংসায় সকলে মহানুভবতা না দেখালে একটা সময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হবে।

লেখক – সাংবাদিক। 


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন