কুমিল্লা মেঘনা উপজেলার মানিকার চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.জাকির হোসেনকে মন্ত্রণালয়ের ক্ষমায় চেয়ারম্যান বলবৎ থাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিশিষ্টজনেরা। স্থানীয় সরকার পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি ১ শাখায় আদালতের রায়ের অনুকূলে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পত্রে ভবিষ্যতে এ ধরনের কোন অভিযোগ করবেননা মর্মে অভিযোগ নিস্পত্তি করে গত ৬ মার্চ উপসচিব পলি কর স্বাক্ষরিত পত্রে এ অনুরোধ ক্রমে এ নির্দেশনা প্রদান করেন। সূত্র জানায় সূত্র- ১: স্থানীয় সরকার বিভাগ সচিবালয়, (অংশ-১১) স্মারক নং-২৪২, ৬ মার্চ উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রস্থ স্মারকের প্রেক্ষিতে কুমিল্লা জেলার মেঘনা উপজেলাধীন ২নং মানিকারচর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ঢাকা জেলার যুগ্ম ও দায়রা জজ এম আদালতে দি নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট-১৯৮১ এর ১৩৮ ধারা মামলা নং-৩০৫/২৪, ২৬৪/২৪ দুইটি মামলা বিজ্ঞ আদালতে দন্ডপ্রাপ্ত আসামি । ৩০৫/২৪ এ মামলায় ২৫,০০,০০০/- (পঁচিশ লক্ষ) টাকা এবং ২৬৪/২৪ এর মামলায় ৩৫,০০,০০০/- (পঁয়ত্রিশ লক্ষ) টাকা সর্বমোট ৬০,০০,০০০/- (ঘাট লক্ষ) অর্থদন্ড ও ০৪ (চার) মাসে বিনাশ্রম কারাদন্ড রায়ের বিজ্ঞ আদালত আদেশ প্রদান করেন।উক্ত ইউপি চেয়ারম্যান (জনাব মোঃ জাকির হোসেন) একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় অভিযোগে অভিযুক্ত হন। যাহা স্থানীয় সরকার বিভাগ (ইউনিয়ন পরিষদ) (সংশোধন) আইন ২০০৯ এর ৩৪ বিধি মোতাবেক ইউনিয়ন পরিষদের অপরাধ সামিল। যাহা ইউনিয়ন পরিষদ আইন কর্তৃক হওয়ায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ৩৪ (১) ধারা অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদের জনস্বাথে অপরাধ পরিপন্থি কাজ হওয়ায় উক্ত স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) একই আইনে ২০০৯ এর ৩৪ (১) এর (খ) (ঘ) অনুযায়ী (ইউপি চেয়ারম্যান) মোঃ জাকির হোসেন কে ভবিষ্যতে এই ধরনের কর্মকান্ড করিবে না মর্মে প্রথমবারের মতো তাহাকে (ইউপি চেয়ারম্যান) কে কঠোরভাবে সতর্ককরণ করে অভিযোগটি অত্র দপ্তর থেকে প্রত্যাহার/নিস্পত্তি করা হলো এবং নিদের্শক্রমে অনুরোধ করা হলো।
(২) এ আদেশ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জনস্বার্থে জারি করা হলো এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে। এ বিষয়ে উপজেলা মানবাধিকার নেতা ফাতেমা আক্তার খানম বলেন সব চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের আর যেহেতু মন্ত্রণালয় বহাল রেখেছে এটা সঠিক। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক আব্দুল অদুদ মুন্সি বলেন সে একজন দূস্কৃতকারী লোক তাকে জনগণ চায় না। সরকার পুনর্বহাল করে একজন সন্ত্রাসী ও ফ্যাসিস্টকে পুনর্বাসন করেছে। উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি, আবুল কালাম বলেন মানুষ হত্যার মধ্যে দিয়ে তিনি চেয়ারম্যান হয়েছেন। প্রতারণা, জালিয়াতি, সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে দিবালোকের মতো পরিস্কার। এমন লোক এখনো যদি চেয়ারম্যান থাকে তাহলে সন্ত্রাসী ও দূর্নীতি বৃদ্ধি পাবে। অপরদিকে কুমিল্লা -২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী, ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল নাজিমুদ্দিন মোল্লা বলেন যেহেতু সরকার বহাল রেখেছে বুঝে শুনেই করছে। এ বিষয়ে জাকির চেয়ারম্যানের মুঠোফোনে কথা বলার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।