• বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বিএনপি: নজরুল ইসলাম খান গণতন্ত্র ও দেশপ্রেমে আপসহীন ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: ড.মোশাররফ  বাংলাদেশ পুলিশ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নিশ্চিত করবে মেঘনা উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদ: অনুমোদন আছে, কার্যকারিতা নেই সরকার আমলাতন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে: টিআইবি নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে রাজনীতির উত্তাপ বাড়লেও মেঘনায় চলছে স্থানীয় আধিপত্যের লড়াই গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর মেঘনায় সড়কের ইটচোর ধরিয়ে দিতে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার

ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক ওয়ারিশ সনদ প্রতারণার শিকার হয়ে যুবকের জীবন অন্ধকারে

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ৪৬৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৫

মেঘনা প্রতিনিধি।।

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার গোবিন্দ পুর ইউনিয়নের দড়িকান্দি এলাকার মরহুম মোজাম্মেল হক শিকদার বিয়ের পর সন্তান না হওয়ায় অনুমান দেড় থেকে দুই বছর বয়সী শিশুকে দ্বৈত্যক এনে লালন পালন করেন।তার নাম  হালিম শিকদার। হালিম স্যার নামে এলাকায় পরিচিত। লেখা পড়া শেষে সাবালক করে বিয়ে করান। মোজাম্মেল হক শিকদারের সন্তান হিসেবেই বড় হয়।জন্ম নিবন্ধন, একাডেমিক সনদ, ভোটার আইডি সহ সবকিছুতেই পিতার নাম মোজাম্মেল হক শিকদার। একমাত্র সন্তান হিসেবে যথেষ্ট আদর যত্নে বড় করেন। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস একটা পর্যায়ে স্বজন ক্যুর শিকার হয় সে। একটা সময় মোজাম্মেল হক শিকদার মারা যান। নেমে আসে জীবনে অমানিশার অন্ধকার। সম্পত্তি নিয়ে শুরু হয় মৌণ বিরোধ। বাপের জমিজমা নিজ নামে আনতে হবে। এই চিন্তায় আধাপাগলের মত জীবন যাপন করে। পরবর্তীতে ইউপি চেয়ারম্যান, গোবিন্দ পুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি, মাঈনুদ্দিন মুন্সি তপন ওয়ারিশ সনদ প্রদান করে। সে সনদ দেখিয়ে জমি খারিজ করেন। এর মধ্যে অনেক টাকা খরচ করে দেনাদার হয়ে গেছে। শুরু হয় পরিবারে অশান্তি। জমি বিক্রি করতে গেলে চাচাত বোনেরা সেই চেয়ারম্যানের কাছ থেকেই প্রত্যয়ন পত্র নিয়ে ভুমি অফিসে খারিজের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরিশেষে খারিজ বাদ হয়ে যায়। পেশায় ছিলেন শিক্ষক, বর্তমানে দিনমজুরি করে সংসার চালান হালিম। একদিকে জমি বিক্রি করেও রেজিষ্ট্রেশন করতে না পারায় দেনা পরিশোধ করতে পারছেনা অন্যদিকে জমি রক্ষায় আদালতে মামলা করেন। এখন সবাই কোর্টে দৌড়ায়। এলাকাবাসী বলেন,  চেয়ারম্যান জনসাধারণের খেদমত করবেন, সেবা দিবেন এটাই অঙ্গিকার। তা না করে পালিত সন্তান যেনেও মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ওয়ারিশ সনদ প্রদান করেন। যার সূত্র ধরেই খারিজ সহ জমি বিক্রি পর্যন্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। পরবর্তীতে আবার প্রত্যয়ন পত্র দিয়ে বাতিল করে দেয় খারিজ।ভোগ দখলে থাকলেও ওয়ারিশ সনদে প্রতারিত হয়ে মামলা পর্যন্ত গড়ায়। তাও আবার চাচাতো বোনদের সাথে। নিয়ম বহির্ভূত ভাবে কোন আইনে জেনেশুনে ওয়ারিশ সনদ প্রদান করে আবার একই চেয়ারম্যান প্রত্যয়ন প্রদান করে এ নিয়ে সচেতন মহল যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। হালিম শিকদার বলেন আমার জীবনে এমন পরিস্থিতিতে পরতে হবে কখনো ভাবিনি, পৃথিবীতে জন্ম নেওয়া টাই কি আমার অভিশাপ? কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন আমি আমার পিতৃ পরিচয় চাই। আমি মরহুম মোজাম্মেল হক শিকদারই আমার বাবা এটাই সত্য। গত কয়েক মাস পূর্বে এ বিষয়ে গোবিন্দ পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাঈনুদ্দিন মুন্সি তপন বলেন সার্টিফিকেট দেখে ওয়ারিশ সনদ দেওয়া হয়েছে তবে পরবর্তীতে যখন জানতে পারি সে পালিত সন্তান তার চাচাতো বোনদের প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করি।
সচেতন মহল যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ করেছেন। এমনটা করতে পারেন কিনা ইউপি চেয়ারম্যান?

মাঈনুদ্দিন মুন্সির জাল জালিয়াতির  পর্ব -১। চলবে —


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন