• বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
ফরম–‘ক’ অনুযায়ী বৃক্ষ কর্তনের অনুমতির আবেদন বাধ্যতামূলক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের টানা উত্তরাঞ্চল সফর শুরু ১১ জানুয়ারি কৃষিজমির উপরি-স্তর কাটলে জেল-জরিমানা ঘুষের ১ লাখ ২০ হাজার টাকাসহ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আটক মেঘনার সন্তান, কেন্দ্রে তাঁর রাজনীতি পঞ্চগড়ে সোলার স্ট্রিট লাইট প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে দুদকের অভিযান কর প্রশাসনে ডিজিটাল রূপান্তর বিষয়ে বিসিএস একাডেমিতে ক্লাস নষ্ট উপজেলা মেঘনা : নষ্টালজিক উন্নয়ন আর হারিয়ে যাওয়া মানুষের গল্প মেঘনায় সড়কহীন দড়িকান্দি দক্ষিণ পাড়া: পাঁচ দশকের অবহেলা বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

মেঘনা বিএনপি পূর্বের তুলনায় বেশি সু সংগঠিত হওয়ার পূর্বাভাস

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ২৬৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৫ মে, ২০২৫

বিপ্লব সিকদার :

গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু করে শনিবার পর্যন্ত বাংলাদেশের মধ্যে একটি অস্থিরতা তৈরি হয় যা সকলেরই জানা। সরকার ও রাজনৈতিক দল গুলোর সাথে আলোচনা করে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যের ভিত্তিতে আপাতত স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফিরেছে। অপরদিকে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য ও নবায়ন ফর্ম কর্মসূচি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে দাউদকান্দিতে। এতে করে মেঘনা উপজেলা বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের গ্রুপিংয়ের অনেকাংশেই অবসান হয়েছে। যদিও অনেকের মতে বিএনপিতে গ্রুপিং নেই এমন বক্তব্য দিতে দেখা গেলেও ৫ আগষ্টের পর মেঘনার স্থানীয় বিএনপিতে নেতৃত্ব ও আধিপত্য বিস্তারের গ্রুপিংয়ের করাল গ্রাসে নেতাকর্মীদের মধ্যে একটি অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল।

কেন, কোন কারণে তা অবশ্য সবারই জানা। ফলে সে দিকে যাচ্ছি না। শনিবারের কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সহ জেলা ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ একই মঞ্চে হাশিখুশি অবস্থায় ছিলেন। ফলে এর প্রভাব মেঘনা বিএনপিতে ইতিমধ্যে পরে গেছে। বড় দল হিসেবে নেতা ও নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা অনেক। ফলে স্বাভাবিক সকল কর্মসূচি যেমন চলছে অপরদিকে পক্ষে বিপক্ষে স্নায়ু যুদ্ধ, তীর্যক ভাষায় বক্তব্য,নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ পূনর্বাসনসহ নানা অভিযোগ, অনুযোগ ছিল যা এখনো বিদ্দমান। যেভাবেই হোক, অন্তরালে যাই হোক, শনিবারের কর্মসূচি থেকে মেঘনা বিএনপি সু সংগঠিত হওয়ার একটি পরোক্ষ বার্তা পাওয়া গেছে। যা দলকে পূর্বের তুলনায় আরও সু শৃঙ্খল, সু সংগঠিত হতে সহায়ক ভুমিকা রাখবে। অনেক নেতাকর্মীর অভিমান, অভিযোগ, থাকলেও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাংগঠনিক জ্ঞান, প্রজ্ঞা, বিষোদগার পরিহার করে, সহনশীলতা, সম্প্রীতি বজায় রাখাসহ আমিত্বভাব পরিহার করে ত্যাগিদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে পারলে দ্রুতই যেটুকু সমস্যা বিদ্দমান তা অবসান সম্ভব। সবচেয়ে বড় কথা হলো সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে স্থানীয় প্রশাসনের যথেষ্ট সখ্যতা আছে। তা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং জনগণের শান্তি শৃঙ্খলা, অধিকার বাস্তবায়নে অগ্রগতি হবে। দলকে দলের মত পরিচালনা করলে, একক আধিপত্য বিস্তার পরিহার করলে আশা করা যা উপজেলাবাসীর জন্য ভালো ফল বয়ে আনবে। এবং বৃহত্তর স্বার্থের জন্য ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করতে পারলেই দল, দেশ ও জাতির ভাগ্য পরিবর্তন হবে। তবে অসংগতিতে জড়িতদের কারণে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে সে দিকে খেয়াল করতে হবে। প্রযুক্তির যোগে কিছুই গোপন থাকেনা। সবকিছুই প্রকাশ পায় হয় দুই দিন আগে আর পরে। সু শৃঙ্খল রাজনীতি করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রাখা উপজেলার নীতিনির্ধারকদের নৈতিক দায়িত্ব।সচেতন মহল চায় স্থানীয় রাজনীতিতে সু শৃঙ্খল ফিরে আসুক। একে অপরের সাথে শিষ্টাচার বহির্ভূত আচরণ থেকে বিরত থাকা, এবং এলাকার উন্নয়নে প্রশাসনকে সহায়তা করা পাশাপাশি নিজেরা উদ্যেগী হয়ে বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে আসা, সহ উন্নয়নের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে পারলে জনগণের মাঝে দলের প্রতি আনুগত্য ও ইতিবাচক মনোভাব অনেকাংশেই বেড়ে যাবে।
লেখক – সাংবাদিক।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন