• শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
জনবান্ধব পুলিশ গঠনে প্রয়োজন জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা রূপগঞ্জে ৪ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সোনারগাঁওয়ে পিস্তল ও গুলিসহ দুষ্কৃতিকারী গ্রেপ্তার কুমিল্লার মেঘনায় মানিকার চর বাজার ইজারা: গত বছরের তুলনায় রাজস্ব কম প্রায় ২৫ লাখ সিদ্ধিরগঞ্জ ভূমি অফিসের ৩ কর্মকর্তাকে বদলি, চলছে মামলার প্রস্তুতি সিদ্ধিরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪ জন গ্রেফতার দাউদকান্দিতে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এমপি ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের মতবিনিময় সভা আড়াইহাজার থানার লুট হওয়া শটগান উদ্ধার দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অভিযান শুরু করবে পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিদ্ধিরগঞ্জে মাদক অভিযানে গ্রেফতার ১৬ জন

চিৎকার শুনে ছুটে আসা স্থানীয়রা ধর্ষণের শিকার নারীকেই মারধর করে

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৬৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৯ জুন, ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট।।

কুমিল্লার মুরাদনগরে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে এক নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়েরের পর মূল অভিযুক্তসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী পুলিশকে জানিয়েছেন, ঘটনার পর তিনি যখন সাহায্য চাচ্ছিলেন, তখন তাঁকে মারধর করা হয়। তাঁর ভিডিও ধারণ করা হয়, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সূত্র : আজকের পত্রিকা

পুলিশ বলছে, ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তাঁদের নজরে আসে। এরপর তাঁরা অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত ফজর আলীকে (৩৮) ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে গ্রেপ্তার করে। ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে আরও চারজন—মো. সুমন, রমজান আলী, মো. আরিফ ও মো. অনিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মারধর করা ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

ভুক্তভোগী নারীর ভাষ্যমতে, তিনি প্রায় ১৫ দিন আগে সন্তানদের নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে অভিযুক্ত ফজর আলী তাঁর বাড়িতে গিয়ে দরজার বাইরে থেকে ডাক দেন। দরজা না খোলায় ফজর আলী ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণ করেন।

ধর্ষণের পর ওই নারী চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। কিন্তু তারা প্রকৃত ঘটনা না জেনে উল্টো নারীকেই দোষারোপ করে মারধর শুরু করে এবং সেই অবস্থায় ভিডিও ধারণ করে। পরে তারা বুঝতে পারে, ওই নারী আসলে ধর্ষণের শিকার। তখন স্থানীয়রা ফজর আলীকে আটক করে মারধর করে এবং পরে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ফজর আলী হাসপাতাল থেকে কৌশলে পালিয়ে যান।

পরদিন শুক্রবার রাতে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে তোলপাড় হয়। এরপর পুলিশ ওই নারীকে থানায় যেতে উদ্বুদ্ধ করে। গতকাল শনিবার রাতে তিনি মুরাদনগর থানায় মামলা করেন।

স্থানীয়রা বলছেন, ওই নারী ধর্ষণের শিকার হলেও তাঁরা শুরুতে বিষয়টি না বুঝে ভুল করেছেন। পরে যখন আসল ঘটনা জানতে পারেন, তখন লজ্জায় পড়েন। যারা ভিডিও করে ছড়িয়ে দিয়েছে, তাদেরও বিচারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান বলেন, ‘প্রথমে ওই নারী থানায় অভিযোগ করেননি। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর আমরা বিষয়টি জানতে পারি এবং তাঁকে সহায়তা করি। তাঁর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’

পুলিশ জানায়, ভিডিও ধারণ ও ছড়িয়ে দেওয়ার পেছনে অন্য কেউ জড়িত কি না, সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন