• শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৮:২১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
জনবান্ধব পুলিশ গঠনে প্রয়োজন জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা রূপগঞ্জে ৪ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সোনারগাঁওয়ে পিস্তল ও গুলিসহ দুষ্কৃতিকারী গ্রেপ্তার কুমিল্লার মেঘনায় মানিকার চর বাজার ইজারা: গত বছরের তুলনায় রাজস্ব কম প্রায় ২৫ লাখ সিদ্ধিরগঞ্জ ভূমি অফিসের ৩ কর্মকর্তাকে বদলি, চলছে মামলার প্রস্তুতি সিদ্ধিরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪ জন গ্রেফতার দাউদকান্দিতে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এমপি ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের মতবিনিময় সভা আড়াইহাজার থানার লুট হওয়া শটগান উদ্ধার দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অভিযান শুরু করবে পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিদ্ধিরগঞ্জে মাদক অভিযানে গ্রেফতার ১৬ জন

মেঘনায় অধরাই রয়ে গেল মাদকের সম্রাটরা

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ৩৫৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৫

মেঘনা প্রতিনিধি।।

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় প্রশাসনের নানামুখী অভিযান সত্ত্বেও থামছে না মাদক ব্যবসা। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও আটক হচ্ছে ছোটখাটো বিক্রেতা ও সেবনকারী, কিন্তু এলাকার প্রকৃত মাদক সম্রাটরা রয়ে যাচ্ছেন অধরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মানিকারচর, ভাওরখোলা সেননগর বাজার,দড়িকান্দি,বড়কান্দা,হরিপুর, রামপুর বাজার,টিটির চর, সহ গোবিন্দপুর ও নদীর তীরবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গোপনে চলছে মাদক কারবার। সন্ধ্যা ও দুপুরে নামলেই কিছু দোকান, চায়ের স্টল ও ঘাট এলাকায় সক্রিয় হয়ে ওঠে চক্রের সদস্যরা। ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিলের পাশাপাশি সম্প্রতি ‘আইস’ ও ‘ক্রিস্টাল মেথ’ নামের নতুন মাদকও তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে।গ্রামের সাধারণ মানুষ বলছে, এসব মাদক ব্যবসার পেছনে রয়েছে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট, যারা রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের নিরাপদ রাখে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ প্রকাশ্যে সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকে আড়ালে মাদক সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,> “ছোট ব্যবসায়ীরা ধরা পড়ে, কিন্তু যারা সবকিছু চালায় তারা আজও ধরাছোঁয়ার বাইরে। ওদের ধরলে পুরো চক্র ধসে পড়বে।”
গত তিন বছরে মেঘনা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রায় শতাধিক বেশি মামলা হলেও কোনো শীর্ষ কারবারি গ্রেপ্তার হয়নি বলে জানা গেছে। অভিযানে যাদের ধরা হচ্ছে তারা মূলত বাহক বা ক্ষুদ্র বিক্রেতা।

মেঘনা থানার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মাদক চক্রগুলো অত্যন্ত সংগঠিত। তারা আধুনিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে। তবে আমরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি এবং তথ্য সংগ্রহ অব্যাহত আছে।”সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই ভয়াবহ মাদক পরিস্থিতি থেকে মেঘনাকে রক্ষা করা সম্ভব নয়।

একজন সামাজিক কর্মী বলেন,“এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে পুরো প্রজন্ম মাদকের আগ্রাসনে হারিয়ে যাবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন