• সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
লোহাগাড়ায় ভয়াবহ বন্যা-পরবর্তী মাননীয় অর্থমন্ত্রীর সফর সফল ও সার্থকভাবে সম্পন্ন হয়েছে পদ্মা ওআড়িয়াল খাঁ নদের ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন এমপি শহিদুল বল্লী ইউনিয়নে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্যের করে দোকান ভাঙ্গচুরের অভিযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাক-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ১ উদয়নমোড়-রেলস্টেশন গেট সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দিলেন চসিক মেয়র সিংড়ায় কৃষিজমি কেটে অবৈধ পুকুর খনন, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ডিজিটাল সংবাদ মাধ্যমে বৈচিত্রতা নিয়ে ‘খবরের কণ্ঠস্বর’-এর যাত্রা শুরু আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ শিল্প উদ্যোক্তা এসোসিয়েশনের মৌসুমি ফল উৎসব-২০২৬ শাপলা চত্বরের হত্যাযজ্ঞে ৫৮ নিহতের পরিচয় মিলেছে

মিশরকে সামনে রেখেই কিংবদন্তি হয়ে ওঠার যাত্রা শুরু মেসির

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ৪৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক:

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে আজ মিশরের বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। এই লড়াইয়ের আগে ফিরে আসছে লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। কারণ, ঠিক ২১ বছর আগে এই মিশরের বিপক্ষেই বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথমবার শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। আর সেই ম্যাচেই করেছিলেন নিজের প্রথম বিশ্বকাপ গোল, যা পরবর্তীতে এক কিংবদন্তি ক্যারিয়ারের সূচনালগ্ন হিসেবে জায়গা করে নেয় ফুটবল ইতিহাসে।

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের জার্সিতে মেসির পথচলা শুরু হয়েছিল ২০০৪ সালে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ দিয়ে। তবে ২০০৫ অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে মিশরের বিপক্ষে ম্যাচটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড় হয়ে আছে। প্রথমবার শুরুর একাদশে নেমেই গোলের দেখা পান তিনি এবং দলকে জয়ের পথে এগিয়ে দেন।

সেই টুর্নামেন্টের শুরুটা অবশ্য হতাশাজনক ছিল আর্জেন্টিনার জন্য। প্রথম ম্যাচেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১-০ গোলে হেরে বসে তারা। তখন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে আলোচিত ফুটবলার ছিলেন মাত্র ১৪ বছর বয়সে মেজর লিগ সকারে অভিষেক হওয়া ফ্রেডি আডু, যাকে অনেকে ভবিষ্যতের ‘নতুন পেলে’ বলেও আখ্যা দিয়েছিলেন। অন্যদিকে বার্সেলোনায় খেলা শুরু করলেও মেসি তখনও ছিলেন নিজেকে প্রমাণের অপেক্ষায় থাকা এক তরুণ প্রতিভা। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নেমেও তিনি ম্যাচের ফল বদলাতে পারেননি।

তবে দ্বিতীয় ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে সুযোগ পেয়েই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন মেসি। ম্যাচের ৪৭তম মিনিটে হুলিও বারোশোর ক্রস থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন তিনি। পরে পাবলো জাবালেতা আরও একটি গোল করলে ২-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় আলবিসেলেস্তেদের। সেই জয় টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনার ঘুরে দাঁড়ানোর ভিত্তি তৈরি করে। ম্যাচের শেষ দিকে মেসিকে তুলে লুকাস বিগলিয়াকে মাঠে নামান কোচ।

মিশরের বিপক্ষে প্রথম গোলের পর পুরো টুর্নামেন্টেই ছিলেন দুর্দান্ত ছন্দে। শেষ পর্যন্ত ছয় গোল করে জিতে নেন সর্বোচ্চ গোলদাতার গোল্ডেন বুট। পাশাপাশি টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড়ের গোল্ডেন বলও ওঠে তার হাতে। ফাইনালে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল এবং সেমিফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে একটি গোল করে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জেতাতে বড় অবদান রাখেন তিনি।

আজ দুই দশকেরও বেশি সময় পর আবারও বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে মিশরের মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা। ফলে ম্যাচটি শুধু কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াই নয়, বরং মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের এক ঐতিহাসিক সূচনার স্মৃতিকেও নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন