সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের বাউলডাঙ্গা গ্রামে দীর্ঘদিনের জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নির্মাণাধীন একটি দোকানঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটে আজ, ১৯ জুলাই (রবিবার) আনুমানিক সকাল ১১টার দিকে।
আদালতে মামলা সূত্রে জানা যায়, বাউলডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা মৃত তোফাজ্জলের পুত্র মো. নজরুল ইসলামের নির্মাণাধীন দোকানঘরে হামলা চালিয়ে সেটি ভেঙে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় মো. মসলেম ঢালী, তার পুত্র মো. রাজু, মৃত মফাজ্জেল ঢালীর পুত্র মো. মোসলেম, আনারুল ও মোকারম ঢালী (সর্বসাং কাঁঠালতলা)সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।।সাতক্ষীরা বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে।
ভুক্তভোগীর দাবি, উক্ত জমি নিয়ে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। মামলার তফসিল অনুযায়ী, সাতক্ষীরা সদর থানা, মৌজা বল্লী, বি.আর.এস. খতিয়ান নং ২১৪৭, বি.আর.এস. দাগ নং ২১৬৭, জমির পরিমাণ ১০ শতক। পিটিশন মামলা নং পি-৮২৫/২৬, যা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীনে বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তরা দিনের বেলায় সন্ত্রাসী কায়দায় দোকানঘর ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ করা হয়।
বাউলডাঙ্গা গ্রামের জামে মসজিদের পেশ ইমাম জানান, এ জমি নিয়ে একাধিকবার বিচার-সালিশ হয়েছে। তবে অভিযুক্তরা কোনো সালিশি সিদ্ধান্ত মেনে নেননি বলে তিনি দাবি করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. নুর ইসলামের পুত্র মো. শামীম হোসেন বলেন, “অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এসে হুমকি-ধমকি দিয়ে দোকানঘর ভাঙচুর করেছে।”
ভুক্তভোগী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “আমার নিজস্ব জমিতে দীর্ঘদিন ধরে দখল থাকা সত্ত্বেও গায়ের জোর ও অর্থের প্রভাব খাটিয়ে আমার নির্মাণাধীন দোকানঘর ভেঙে ফেলা হয়েছে। এতে আমার প্রায় দুই লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আদালতের কাছে সুষ্ঠু বিচার এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”