• রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে আরসিসি ঢালাই রাস্তার কাজ শেষ স্বেচ্ছাসেবীদের অধিকতর প্রশিক্ষণেই নির্ভুল হবে ফ্যামিলি কার্ড শুমারি নিজস্ব অর্থায়ন ও স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা সংস্কার, নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতা তুষার মাহমুদ রাঙ্গুনিয়ায় নাতনিকে ধর্ষণ চেষ্টায় বৃদ্ধ গ্রেপ্তার ফয়জুল করীমের উপস্থিতিতে কুবিতে জুলাই শহিদদের স্মরণে দোয়া ও ইসলাহী ইজতেমা বর্ষার জলে চলনবিলে ডিঙি নৌকার নবজাগরণ পীরগঞ্জে খাল খনন প্রকল্পের উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারী কোষাগারে ফেরৎ সাতক্ষীরা ফিংড়িতে আট দলীয় ক্যারাম প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের ১৪ নেতাকে শোকজ ২৭ জুলাই আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

রাঙ্গুনিয়ায় নাতনিকে ধর্ষণ চেষ্টায় বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬

‎কামরুল ইসলাম:

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া কোদালা ইউনিয়নে ৭ বছরের নাতনিকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে আব্দুল হাকিম (৫৩) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

‎গ্রেপ্তার হাকিম কোদালা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড জঙ্গল কোদালা মাছুফ্যার ঘোনা, লট-৫ ইসলাম মাঝির বাড়ীর বাসিন্দা।

‎মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (২০ জুলাই) দুপুর ২টায় বাদীর নাতিনকে ঘরে রেখে পাশের বাড়ীতে গেলে আসামী এই সুযোগে বসত ঘরে প্রবেশ করে ভিকটিমকে একগ্লাস পানি আনতে বলে। ভিকটিম পানি আনার পর হাত ধরে ফেলে এবং ধর্ষণ করার চেষ্টা করে।

‎এতে অভিযোগের ভিত্তিতে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা মামলায় আসামীকে গ্রেপ্তার করে।

‎জানা যায়, বাদী লোকজনের বাড়ীতে গৃহপরিচারিকার কাজকর্ম ও মাঝে মধ্যে ভিক্ষাবৃত্তি করে কোন রকম জীবিকা নির্বাহ করে। ভিকটিম মেয়ের ঘরের নাতিন হয়। ভিকটিমের পিতা মানসিক রোগী হওয়ায় গত ৫ বছর পূর্বে অন্যত্র চলে যায়। তার আর কোন খোঁজখবর নেয়। ভিকটিমের মা ১ বছর পূর্বে দ্বিতীয় বিবাহ করে স্বামীর চট্টগ্রাম শহরে থাকে এবং লোকজনের বাড়ীতে কাজকর্ম করে। ভিকটিম তাহার নানির কাছে থাকে। আসামী মোঃ আব্দুল হাকিম (৫৩) বাদীর ছোট বোন জামাই।

‎ এবিষয়ে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ হিলাল উদ্দিন আহমদ জানান, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হওয়ার পর বাদীর এজাহারের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা রুজু করা হলে আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী যথাযথ নিয়মে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন