যশোরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু এবং সাবেক কাউন্সিলর হাজী সুমনসহ ১৩৩ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। রোববার (২ আগস্ট) কোতোয়ালি থানার এসআই ফজলুল হক বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তার ৯ নেতাকর্মীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— শেখ তানভীর ইসলাম ইমন ওরফে ক্যাপ্টেন ইমন, ফারদিন দুর্জয়, ওহিদুল ইসলাম শেখ, রাকিবুল রহমান ওরফে বড় বাবু, আল আমিন এবং সম্রাট হোসেন। একই রাতে অপর একটি মামলায় বর্তমান ইউপি সদস্য মঈনুর রহমান এবং সাবেক ইউপি সদস্য নূরুল ইসলাম ও আকরাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ জুলাই রাতে যশোর সদর উপজেলার রাজারহাট পিকনিক কর্নারের কাছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে সরকারবিরোধী মিছিল এবং নাশকতার উদ্দেশ্যে অবস্থান নেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা পালিয়ে যান। এ ঘটনায় এসআই ফজলুল হক বাদী হয়ে রোববার কোতোয়ালি থানায় ১৩৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— সাবেক পৌর মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, সাবেক কাউন্সিলর হাজী সুমন, যুবলীগ নেতা সাইদুজ্জামান বাবু ওরফে দাঁতাল বাবু, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ আতিকুর বাবু, সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফন্টু চাকলাদার, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল, সাবেক চেয়ারম্যান মাহামুদুল হাসান লাইফ, দলেননগরের হবিবর রহমান, উপশহরের সাবেক চেয়ারম্যান এহসানুল হক লিটু, উপশহরের মুনসুর আলী ওরফে চিমা, নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রাজু এবং চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান মুন্না।