• বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
গোয়াতলা–নাগলা সড়কে ওভারলোড বালুবাহী ট্রাকের দাপট বাস স্টেশন থাকার পরও হালুয়াঘাটে সড়কের দুই পাশে গাড়ি পার্কিং ত্রিশালে ‘অবৈধ’ বালুর ঘাটের কর্মীকে ইউএনওর মারধরের অভিযোগ ঘুষ না দেওয়ায় ঠিকাদারের হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ পৌর কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কালিয়াকৈরে তীব্র বিদ্যুৎ-সংকট, দিনে ১০-১২ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ে ব্যাহত রপ্তানি পাঁচবিবির আওলাইয়ে এমপি ফজলুর রহমান সাঈদকে ঘিরে প্রাণবন্ত মতবিনিময় জয়পুরহাটে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২ আয়োজনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলেন ডিআইজি মেঘনায় যে কারণে মাদকসহ সামাজিক বিপর্যয় ঠেকানো যাচ্ছে না ত্রিশালে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ৩৩ সদস্যের কমিটি পুনর্গঠন

ত্রিশালে ‘অবৈধ’ বালুর ঘাটের কর্মীকে ইউএনওর মারধরের অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬

এম.এ.এইচ রাকিবুল ইসলাম:

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার একটি বালুর ঘাটে ইজারাদারের এক কর্মীকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ইজারাদার পক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর ১টা ৫৯ মিনিটের দিকে উপজেলার কাঁঠাল ইউনিয়নের কালীরবাজারের কুলুরবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ইউএনও আনসার ও র‍্যাব সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে বালু বিক্রির একটি পয়েন্টে যান এবং সেখানে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চান। এ সময় সৃষ্টি এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপক সারোয়ার জাহান ওরফে বাচ্চু অভিযানে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের পরিচয় জানতে চাইলে ইউএনও তাকে থাপ্পড় মারেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ফুটেজে আরও দেখা যায়, পরে র‍্যাবের এক সদস্য সারোয়ার জাহানকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে ইউএনও তার হাত থেকে একটি লাঠি নিয়ে তাকে কয়েকবার আঘাত করেন। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাকে থামানোর চেষ্টা করেন।

ইজারাদার পক্ষের দাবি, ঘটনার পর সারোয়ার জাহানকে র‍্যাবের গাড়িতে করে ধলা এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে বালুর ঘাটটি বৈধ নাকি অবৈধ এবং সেখানে অভিযান পরিচালনার সময় ঠিক কী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য বন্ধ আছে।

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন