ঢাকা   ০২:১৫:০৮ পিএম, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গজারিয়ায় পরকীয়ার জেরে স্বামীর হাতে স্ত্রী হত্যার অভিযোগ, আটক ৪

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, June 23, 2020,
  • 212 Time View
  • ৫ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

২৩ জুন ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, এম ডি ওসমান,

গজারিয়া প্রতিনিধি : মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় ইমামপুর ইউনিয়ন ষোল আনি গ্রামে দুই সন্তানের জননী নাছরিন( ২৭) কে পরকীয়ার জের ধরে ঘাতক স্বামী হেদায়েত হোসন সহ তার স্বজনদের বিরুদ্ধে হত্যা করার অভিযোগে গজারিয়া থানায় নিহতের ভাই বাদী হোসেন মিয়া। হত্যা মামলা করেছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহ অপরাধে
ঘাতক স্বামী হেদায়েত হোসনের দুই বোন শাহিনা বেগম(৪৫), সাফিয়া (৪০), ভগ্নিপতি আলমগীর (৫০) ও এক ভাগিনা সাফায়াতসহ ৪ জন থানা হেফাজতে আটক আছে। ২২ জুন রবিবার রাত ২ টায় ষোল আনি গ্রামে মৃত লতিফ মাষ্টারের ছেলে হেদায়েত হোসনের বাড়িতে একাই গ্রামের আহসান মিয়ার ছেলে জিসানের পরকীয়া জেরে এঘটনা ঘটেছে । নিহতের ভাই বাদী হোসেন মিয়া জানান পারিবারিক কোলহলে আমার বোন কে তার স্বামী হেদায়েত হোসন হত্যা করেছে। ঘাতক হেদায়েত হোসন রাতে মোবাইল করে জানান নাছরিন বিষ খেয়ে মারা গেছে। তাকে নিয়ে ভবেরচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আছি। কিছু সময় পর ঘাতক হেদায়েত হোসন কে আর মোবাইল করে পাওয়া যায় নাই। সকাল ৫ টায় হাসপাতালে এসে দেখি বোনের লাশ পড়ে আছে। লোকজন নাই। স্বামী হেদায়েত হোসনের মা মাফিয়া বেগম জানান ছেলে হেদায়েত হোসন বাড়িতে ছিল না। গভীর রাতে ঘুম থেকে জেগে দেখি গ্রামের আহসান মিয়ার ছেলে জিসান আর পুত্র বধু এক সাথে বসে আছে। তখন আমি চিৎকারকরে বলি আমার ঘরে চোর এসেছে চোর এসেছে । এ কারনে জিসান আমাকে মারধুর করেছে। বাড়ির মানুষ জেগে আমার ঘরে আসতে না আসতে জিসান পুত্র বধুকেও মারধুর করেছেন । সে সময়ে ছেলের স্ত্রী ণাছরিন চিৎকার করে বলছে জিসান আমাকে মারপিট করেছে । লোকজন এসে দেখে নাছরিন বুমি করছে। তাকে বাচাতে বাড়ির শ্যামল ও বড় ছেলের স্ত্রী মিলে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এর পর কি ঘটেছে আর জানা নাই ।
স্বামী হেদায়েত হোসন নিজে মোবাইল করার কথা স্বীকার করে বলেন রাতে আমি ঢাকায় ছিলাম। রাত ২ টায় ফোনে জানান হয় বাড়িতে জিসান এবং স্ত্রী নাছরিন এক সাথে বসে আছে । এর প্রতিবাদে জিসান এ কাজ করেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ডাঃ মাহে আলম জানান রাত ৩ টায় রোগীটি হাসপাতালে পৌঁছে । রোগী নিয়ে আসা লোকজন আমাকে জানান রাস্তায় রোগী প্রচুর বুমি করছে এবং সে বিষ খেয়েছে। চিকিৎসা শুরুর আগেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। রোগীর দুই হাতে একাধিক কাটা দাগ আছে। তদন্ত কর্মকর্তা এস আই জামাল উদ্দিন জানান দুই হাতে ৭ টা ও ৫ টা কাটা দাগ আছে। নিহতের মুখে বিষ পানের কোন গন্ধ নাই। তাকে হত্যা করেছে । আটক ৪ জন সম্পর্কে ওসি বলবেন। ওসি মোঃ ইকবাল হোসেন জানান হত্যা মামলা হয়েছে । আটক ৪ জন সম্পর্কে এজহার লিখা শেষে বলা যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি