• মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
মেঘনায় আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আলোচনা সভা মেঘনা উপজেলার উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: ড. খন্দকার মোশাররফ মেঘনায় আঃ রহমান হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন:আইনী পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ এমপির ড্যাবের ইফতারে শৃঙ্খলা উপ-কমিটির সদস্য হলেন কামরুজ্জামান প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের মূসক অজ্ঞতা: দায় কার মেঘনায় এখনো খেজুর পৌঁছেনি বললেন উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন চাইলেন দিলারা শিরিন সিদ্ধিরগঞ্জে বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারিসহ ৩৪ জন গ্রেপ্তার মেঘনায় বিগত দিনে নিম্নমানের সামগ্রীতে নির্মিত পাকা ঘাটলাগুলো এখন পরিত্যক্ত কাঠালিয়া নদীতীরে তরুণদের ব্যতিক্রমী খোলা আকাশে ইফতার

‘নিষিদ্ধ হতে পারে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম’

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৮৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২০

যে মাঠের ঘাস মাড়িয়েছিলেন ফুটবলের সবচেয়ে বড় ধ্রুবতারা লিওনেল মেসি, হেঁটেছিলেন জিনেদিন জিদান। খেলেছিলেন আরও কত তারকা-মহাতারকা। অথচ সেই মাঠেই বল না গড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে! বলা হচ্ছে ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে বুক উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের কথা। আধুনিক মানসম্মত সুযোগ-সুবিধার অভাব, ফুটবলের অনুকূল পরিবেশ না থাকায় আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনে নিষিদ্ধ হতে পারে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নবনির্বাচিত সভাপতি কাজী সালাহউদ্দীন এমন শঙ্কার কথা জানালেন রোববার। বাফুফে ভবনে এক সংবাদ সম্মেলেন তিনি বলেন, ‘যেখানে (বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম) খেলছি, যখন তখন ফিফা-এএফসি এটা বন্ধ করে দিতে পারে। এখন সুসম্পর্কের কারণে আমাদের খেলতে দিচ্ছে। তবে এই বিপদটা রয়েই গেছে।’

দীর্ঘদিন ধরেই বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে সংস্কারের দাবি করে আসছে বাফুফে। বিশেষ করে ড্রেসিংরুম, মাঠের আউটফিল্ড, গ্যালারি সংস্কার অতি জরুরি। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সংস্কার পিছিয়েছে বারবার। ২০০৫ সালের আগ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ফুটবল ও ক্রিকেট ভাগাভাগি করে খেলা হলেও মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম ছিল পুরোই ফুটবলের দখলে। কিন্তু ক্রিকেট ও ফুটবল সমানতালে চালিয়ে যেতে পারছিল না বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম। সে কারণে মিরপুরে চলে যায় ক্রিকেট। বঙ্গবন্ধুতে স্থায়ী হয় ফুটবল।

এরপর ক্রিকেটের দুইটি ইভেন্ট হয় বঙ্গবন্ধুতে- একটি ২০১১ সালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, অন্যটি ২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগের কনসার্ট। এছাড়া ফুটবলের দখলেই বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম। ২০১১ সালে এ মাঠে খেলেছিলেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি। তার সঙ্গে এসেছিলেন আনহেল দি মারিয়া, সার্জিও আগুয়েরো, গনসালো হিগুয়েনরা। ২০০৬ সালে জিদান অংশ নিয়েছিলেন প্রীতি ম্যাচে। সেখানেই এখন আয়োজন হয় ফুটবরের সব খেলা।

ঢাকার বাইরে কিছু ম্যাচ হলেও সারা বছর বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম ব্যস্ত থাকে ম্যাচ আয়োজনে। উন্নত সংস্কারের পাশাপাশি এ স্টেডিয়ামের প্রয়োজন পর্যাপ্ত বিশ্রাম। নতুনভাবে দায়িত্ব নিয়েছেন কাজী সালাউদ্দিন। আগের দুই দফায় এ মাঠ আরও উন্নত করার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। দাবি জানিয়েছিলেন নতুন আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের। শেষ আট বছরে যা করতে পারেননি এবার তা করে দেখানোর চ্যালেঞ্জ বাফুফে সভাপতির, ‘আমরা একটি কমিটি নিয়ে যাবো প্রধানমন্ত্রীর কাছে। ফিফা কমপ্লায়েন্স একটা স্টেডিয়াম চাইবো। এটা নিয়ে ইতিমধ্যে কয়েক জায়গায় কথা বলেছি। অফিসিয়ালি আমরা শিগগিরই পদক্ষেপ নেবো।’


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন