• শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
দেশকে এগিয়ে নিতে বিরোধী দলের আরও দায়িত্বশীল হওয়া জরুরি বিদায়ের ফুলে লেখা চার দশকের গল্প উপাসনালয়ে রাজনীতি: তৃণমূলের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বড় বাধা মেঘনায় মিশ্র নীতির রাজনীতিতে বদলাচ্ছে সমীকরণ “লাথি মেরে চেয়ার থেকে নামাবো ” স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ইঙ্গিত করে ছাত্রঅধিকার নেতার ক্ষোভ প্রকাশ বেগ-আবেগ-যতির ভারসাম্যহীনতায় বদলে যাচ্ছে সমাজ সুযোগ-সুবিধার সংকট, নজরদারির অভাব ও সামাজিক অবক্ষয়ে ঝুঁকির মুখে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম লুটের চরে দৃষ্টিনন্দন বাংলো বাড়ি, আলোচনায় সাবেক চেয়ারম্যান জিল্লু সরকার জিয়ার আদর্শে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান: ড.খন্দকার মারুফ হোসেন মেঘনায় ভাটেরচর-লুটের চর সড়ক এখন জনদুর্ভোগের প্রতীক

দুদকের মামলায় খালাস পেলেন ইশরাক

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৮৬ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২০

২৩ নভেম্বর ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার (নন-সাবমিশন) মামলায় বিএনপির নেতা সাদেক হোসেন খোকার ছেলে প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন খালাস পেয়েছেন।

সোমবার (২৩ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ইশরাক হোসেন নিজ ও তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের সম্পদের বিবরণী কমিশনে দাখিলের নোটিশ দেওয়া হয়। ওই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর দুদকের কনস্টেবল মো. তালেব কমিশনের ওই আদেশ জারি করতে তাদের বাস ভবনে যান। কিন্তু ইশরাক হোসেন সেখানে উপস্থিত না থাকায় উপস্থিত চারজনের (সাক্ষী) সামনে বাস ভবনের নীচ তলায় প্রবেশ পথের বাম পাশে দেয়ালে স্কচটেপ দিয়ে ঝুলিয়ে ওই আদেশ জারি করা হয়। কমিশনের দেওয়া সাত কার্য দিবসের মধ্যে ইশরাক হোসেনকে সম্পদের হিসাব নির্ধারিত ফরমে দাখিল করেননি।

২০১০ সালের ৩০ আগস্ট রাজধানীর রমনা থানায় ইশরাকের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম। তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর ইশরাক হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

২০১৮ সালের ৫ মে সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে চার্জশিট আমলে নেওয়ার তারিখ ধার্য ছিল। ওই দিন ইশরাক আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েশ চার্জশিট আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এ বদলির আদেশ দেন। পরে ইশরাক আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি ইশরাকের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন আদালত।

মামলাটিতে গত ১৯ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। চার্জশিটভুক্ত আট সাক্ষীর মধ্যে ছয় জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। গত ২৭ অক্টোবর ইশরাক নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেন। গত ১১ নভেম্বর দুদক ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের তারিখ ধার্য করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন