• মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
বাংলাদেশ পুলিশ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নিশ্চিত করবে মেঘনা উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদ: অনুমোদন আছে, কার্যকারিতা নেই সরকার আমলাতন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে: টিআইবি নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে রাজনীতির উত্তাপ বাড়লেও মেঘনায় চলছে স্থানীয় আধিপত্যের লড়াই গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর মেঘনায় সড়কের ইটচোর ধরিয়ে দিতে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা মেঘনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার সেননগর আব্বাসীয়া মাদ্রাসার নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন টেলিগ্রাম বিনিয়োগ প্রতারণা: কোটি টাকা আত্মসাৎ, গ্রেফতার-১

‘হিন্দু-খ্রিস্টান নারীদের যৌনদাসী হিসেবে চীনে পাঠাচ্ছে পাকিস্তান’

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১২৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০

১০ ডিসেম্বর ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা নিয়ে এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাকিস্তানে হিন্দু ও খ্রিস্টান নারীদের ওপর অকথ্য অত্যাচার চলছে। এমনকি তাদেরকে যৌনদাসী বা রক্ষিতা বানিয়ে পাঠানো হচ্ছে চীনে।

মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক বিশেষ রিপোর্টে ইউএস অ্যাম্বাসাডর অ্যাট লার্জ ফর ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম, স্যামুয়েল ডি ব্রাউনব্যাক এই তথ্য জানিয়েছেন। ওই রিপোর্টে তিনি জানান, চীনের বিশেষ নাগরিকদের রক্ষিতা বানিয়ে পাঠানো হচ্ছে পাকিস্তানের হিন্দু ও খ্রিস্টান নারীদের। জোর করে যৌনদাসী হতে বাধ্য করা হচ্ছে তাদের।

স্যামুয়েল তার পর্যবেক্ষণের বলেন, এই ধরণের ঘটনার সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে, কারণ পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের কোনো নিরাপত্তা নেই। খুব সহজেই তাদের ওপর অত্যাচার চালিয়ে বা প্রাণের ভয় দেখিয়ে যে কোনো কাজ করিয়ে নেওয়া সম্ভব। পাক প্রশাসনের সম্পূর্ণ মদতেই এই ধরণের ঘটনা ঘটে থাকে।

রিপোর্টে স্যামুয়েল আরো জানান, আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা আইনের আওতায় পাকিস্তান অত্যন্ত দুর্বল রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচিত। পাকিস্তানের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তাহীনতা বেশ উদ্বেগজনক।

২০১৯ সালে বার্তা সংস্থা এপি জানিয়ে ছিলো ৬২৯ জন পাক নারীকে চীনে পাচার করা হয়েছে যৌনদাসী হিসেবে। তাদের তালিকাও তুলে ধরেছিলো ওই রিপোর্টে। মূলত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অসহায়তার সুযোগ নিয়ে এই ধরণের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন