• শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
সর্বশেষ
কুমার নদে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ, ১২ ঘণ্টা পর পাউচা মাতুব্বরের মরদেহ উদ্ধার অপহরণের শিকার ১৪ বছর বয়সী কিশোরী উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ মনপুরায় কুখ্যাত ‘স্বপন বাহিনী’র দুই সহযোগী কোস্ট গার্ডের হাতে আটক নওগাঁর সাপাহারে সাদিয়া নামে নারী নিখোঁজ অসহনীয় লোডশেডিং ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে মানুষ দিশেহারা ৭ এএসপি ও ৪৯ পুলিশ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসর বালুঘাটের ঘটনার পর ত্রিশালের ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকীকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি গাজীপুর সাফারি পার্কে হাতির মৃত্যু পত্নীতলায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ট্যাপেন্টাডলসহ যুবক আটক উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে কাইচাইল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা ফয়েজ মাতুব্বরের

গজারিয়ায় শিল্প কারখানা বাড়লেও, বাড়ছেনা স্থানীয়দের কর্মসংস্থান

নিজস্ব সংবাদ দাতা / ১৮৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১০ মার্চ, ২০২১

১০ মার্চ ২০২১,বিন্দুবাংলা টিভি. কম,

ওসমান গনি,

গজারিয়া প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জর গজারিয়া রাজধানী ঢাকার নিকটবর্তী উপজেলা মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া। এখানে সময়ের সাথে সাথে গড়ে উঠেছে রপ্তানিকারক ও উৎপাদনশীল নিত্যনতুন শিল্প কারখানা। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ এখানে শিল্প কারখানায় হার বাড়লেও প্রতিষ্ঠান গুলোয় চাকুরি পাচ্ছেনা এলাকার মেধাবি শিক্ষিত কিংবা প্রশিক্ষিত যুবক সম্প্রদায়। এই এলাকায় প্রতিষ্ঠিত শিল্প কারখানায় শুধুমাত্র এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার কারনে এখানকার দক্ষ ও অদক্ষ লোকজনদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছেনা বলে হতাশা প্রকাশ করেন শিল্প শ্রমের সাথে জড়িত এখানকার শ্রমজীবি সমাজ।

হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ে তড়িৎ কৌশল বিভাগে শিক্ষার্থী নুরে আলম বলেন ৪৩তম বি সি এস প্রিপারেশন নিচ্ছি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে সি.জি.পিএ ৪.০০ এর মধ্যে ৪.০০ তবে চাকুরি প্রত্যাশায় স্থানীয় বলে এলাকায় স্থাপিত কোন প্রতিষ্ঠানে চাকুরি পাচ্ছিনা। অপরদিকে ড্যাফডিল ইউনির্ভাসিটির ব্যবস্থাপনা বিভাগে আরেক শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম অভিযোগের সুরে বলেন এলাকার প্রতিষ্ঠান গুলোয় ইন্টারভিউতে উপস্থিত হয়ে ভাল পারফর্ম করলেও চাকুরি হচ্ছেনা লোকাল ছেলে বলে।স্থানীয় নাগরিক লোকমান হোসেন জানান এমন অবস্থায় এলাকায় অনেক শিক্ষিত বেকার যুবকরা হতাশায় মাদক ব্যবসা সহ সমাজে নানা রকম অপকর্মের দিকে ঝুঁকে পড়ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গজারিয়া উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন জানান, এলাকাবাসির অভিযোগ স্পষ্ট। গজারিয়ায় গত দশকে কয়েক লক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলেও আশানুরূপ ভাগ্য ফেরেনি স্থানীয় শিক্ষিত অর্ধ-শিক্ষিত কিংবা অশিক্ষিত বেকার যুব সমাজের।

এদিকে স্থানীয় কৃষক ও জমির মালিকরা তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, আমাদের কৃষি কাজে ব্যবহারিত ফসলি জমি যেখানে আমাদের সন্তানরা তাদের রিজিকের সন্ধানে কাজ করার কথা।আমাদের ভিটে মাটি যেখানে আমাদের বসবাস করার কথা। সেখানে বলা চলে প্রায় জোর করেই দখলে নিয়ে এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কোম্পানিগুলো অথচ আজকে আমাদের সন্তানদেরই এখানে কর্মসংস্থান হচ্ছেনা। কোম্পানি গুলোয় স্থানীয় বলে তারা কাজকরার সুযোগ পাচ্ছেনা।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষকলীগ সাধারন সম্পাদক মোশারফ হোসেন মিন্টু বলেন, কৃষি ও অকৃষি জমি ভরাট করেই দিনে দিনে নানা শ্রেনির শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে। এতে একদিকে স্থানীয়দের যেমন কৃষি জমির পরিমাণ কমছে অন্যদিকে কলকারখানা অপরিশোধিত বর্জ্য পরিবেশে মিশে স্থানীয় জনজীবন বিপন্ন করে তুলছে।আমাদের বিপাকে ফেলে শিল্প মালিকরা টাকার পাহাড় গড়ে তুলছে।কিন্তু আমাদের সন্তানদের কর্মের সুযোগ করে দিচ্ছে না। অচিরেই এমন ব্যবস্থাপনার পরিবর্তন চায় গজারিয়া বাসি।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

এই জাতীয় আরো খবর দেখুন